শাপলা টিভি ডেস্কঃ
দক্ষিণ আফ্রিকার প্রবাসীদের জন্য এক নির্মম কর্মক্ষেত্র। জীবন জীবিকার তাগিদে যারা দক্ষিণ আফ্রিকায় আসেন তাদের অনেকেই ফিরেন লাশ হয়ে।
কিন্তু মাত্র চার মাসের মধ্যে পারভেজকে সাদা কাপনে দেশে ফিরতে হবে তা কেউ ভাবেন নি।

গতকাল ২৬ সেপ্টেম্বর দক্ষিণ আফ্রিকার স্প্রিং শহরের নিকটবর্তী অ্যাকটনভিল এলাকায় নিহত পারভেজ (৩৪) নিজ দোকানে ব্যবসা করছিলেন। সন্ধ্যা ৬টার দিকে কৃষ্ণাঙ্গ সন্ত্রাসীরা এসে মাল প্রদানের গ্রীলের ফাঁক দিয়ে গুলি করলে সাথে সাথেই মাটিতে লুটিয়ে পড়ে।

পরে স্থানীয় এক কাস্টমার নিহতের ভাইকে ফোন দিয়ে জানায় তার ভাইয়ের অবস্থা। নিহত পারভেজের ভাই আমীর হোসেন পাশের আরেকটি স্ট্রীটে ব্যবসা করেন। পারভেজের ভাই এসে গ্রীল কেটে তার ভাইকে মৃত অবস্থায় দেখতে পান। সদ্য আগত ভাইকে হারিয়ে পারভেজ আহমদ এখন বিমর্ষ এবং শোকে পাথর হয়ে গেছেন।
নিহত পারভেজ আহমদের বাড়ী কুমিল্লার দাউদকান্দি উপজেলার দিঘীরপাড় গ্রামে। তার পিতার নাম সৈয়দ আলী বেপারী।

নিহত পারভেজের পাসপোর্ট কপি পাঠিয়েছেন ইমাম উদ্দিন

স্থানীয় ব্যবসায়ী বাদশা সওদাগর জানান, পারভেজ হত্যায় এখনো কোন রহস্য উদযাটন করা যাচ্ছে না। জায়গাটি খুবই নিরিবিলি থাকে সব সময়। সেখানে মানুষের আনাগোনা খুবই কম।

তবে শাপলা টিভির অনুসন্ধানে জানা যায়, কিছুদিন পূর্বে স্থানীয় এক মাদকাসক্ত কৃষ্ণাঙ্গকে পুলিশ দাওয়া করলে সেই কৃষ্ণাঙ্গ তার হাতে থাকা মাদকের পুটলি পারভেজের দোকানের ভেতরে ফেলে দেয়। পারভেজ ঐ পুটলি পুলিশের হাতে তুলে দেয়। ধারণা করা হচ্ছে, এতে ক্ষিপ্ত হয়ে ঐ কৃষ্ণাঙ্গ পারভেজকে হত্যা করে থাকতে পারে।

আরেক স্থানীয় ব্যবসায়ী ইমাম উদ্দিন জানান, লাশ মর্গে পাঠানো হয়েছে। সকল প্রক্রিয়া শেষ করে লাশ দেশে পাঠানো হবে। আমরা স্থানীয়রা অত্যন্ত আতঙ্কের মধ্যে আছি।

LEAVE A REPLY