দুর্নীতির অজুহাতে ৪ বছর পর বন্ধ হলো কেপটাউনের পাসপোর্ট হেল্প সেন্টার; প্রবাসীরা ক্ষুব্ধ

0
159

বিশেষ প্রতিনিধি, কেপটাউনঃ (কিস্তি-১)
দক্ষিণ আফ্রিকার অন্যতম রাজধানী এবং বিশ্বের ১ম পর্যটন শহর কেপটাউন। এখানে হাজার হাজার প্রবাসী বাংলাদেশীরা দীর্ঘদিন থেকে বসবাস করে আসছেন। কেপটাউন শহর এবং আশেপাশের এলাকায় প্রবাসী বাংলাদেশীরা ব্যবসা-বাণিজ্য করে যাচ্ছেন, অনেকেই পরিবার পরিজন নিয়ে প্রবাসের ব্যস্ত সময় অতিবাহিত করছেন।

কেপটাউনের অবস্থান পৃথিবীর এক শেষপ্রান্তে। দক্ষিণ আফ্রিকার মুল রাজধানী প্রিটোরিয়া; যেখানে বাংলাদেশের দুতাবাস রয়েছে। এখান থেকে কেপটাউনের দূরত্ব প্রায় ১৫’শ কিলোমিটার। স্থল পথে এর যাত্রাপথ প্রায় ২২ঘন্টা, আকাশ পথে প্রায় আড়াই ঘন্টা সময় লাগে।
বিশাল এই দুরত্বে প্রবাসীরা বসবাস করলের বাংলাদেশ হাইকমিশনের বিভিন্ন সেবা পেতে অনেক বেগ পেতে হয়। হাইকমিশনের সেবা বিশেষ করে প্রবাসীদের একান্ত প্রয়োজনীয় পাসপোর্ট সেবা সহজ করে দেয়ার লক্ষ্যে আজ থেকে প্রায় সাড়ে ৪বছর পূর্বে কেপটাউনে একটি পাসপোর্ট হেল্প সেন্টার খোলা হয়েছিলো। তৎকালীন হাইকমিশনার দাউদ আলী কেপটাউনস্থ স্থানীয় প্রবাসীদের সহযোগিতায় একটি মাদ্রাসায় এই সেবা চালু করেন। এর আগে হাইকমিশনের কর্মকর্তারা ২-৪ মাস অন্তর অন্তর কেপটাউনে গিয়ে পাসপোর্ট আবেদন গ্রহণ এবং বিতরণ কার্যক্রম পরিচালনা করতেন।

সাড়ে ৪বছর পূর্বে চালু হওয়া পাসপোর্ট হেল্প সেন্টারের কারণে সেখানকার অর্ধলক্ষ বাংলাদেশী অত্যন্ত সহজ এবং কম খরচে তাদের পাসপোর্ট পেয়েছেন। তৎকালীন হাইকমিশনার দাউদ আলী বদলিজনিত কারণে অন্যত্র চলে গেলেও বর্তমান হাইকমিশনার সাব্বির আহমদ চৌধুরী কেপটাউনের এই হেল্প সেন্টারটি চালু রেখেছিলেন। বাংলাদেশ হাইকমিশনের এই সেবা প্রবাসীদের জন্য ছিলো ঝামেলামুক্ত এবং সহজলভ্য।

কিন্তু প্রবাসীদের জন্য সহজলভ্য এই সেবা চলতি বছরের মার্চ মাস থেকে কঠিনতর হয়ে গেছে। হাতের নাগালে পাওয়া পাসপোর্ট সেবাটি দুর্নীতি এবং স্বজনপ্রীতির জালে বন্দি।

পাসপোর্ট হেল্প সেন্টারের এই সেবাটি কেন বন্ধ হলো সেই বিষয়ে অনুসন্ধানী তথ্য খুজতে শুরু করেন শাপলা টিভির এই প্রতিবেদক। বেরিয়ে আসে পরস্পর বিরোধী বক্তব্য। অভিযোগ-পাল্টা অভিযোগ। কি সেই অভিযোগ? কাদের জন্য বন্ধ হলো এই সহজলভ্য সেবা?…..

এসব বিষয়ে আগামী পর্বে বিস্তারিত

LEAVE A REPLY