চট্টগ্রামের উন্নয়নের ক্ষেত্রে কোন আপস করবো না : মন্ত্রী তাজুল ইসলাম

বঙ্গবন্ধু বেঁচে থাকলে ২০০০ সালেই বাংলাদেশ সিঙ্গাপুর হতো।আমাদের প্রাকৃতিক সুযোগ রয়েছে।চট্টগ্রাম বন্দর আমাদের গর্বের জায়গা। বন্দরের জায়গা দখল হয়ে যাচ্ছে। কর্ণফুলী নদীর পাড় লিজ দিয়ে ব্যবসা বাণিজ্যের সুযোগ কেন দিচ্ছেন আমি জানি না- আজ (৮ অক্টোবর) বৃহস্পতিবার সকালে চট্টগ্রাম সার্কিট হাউসে কর্নফুলী নদীর নাব্যতা বৃদ্ধি,দখল ও দূষন রোধে প্রণীত মাস্টারপ্লানের বাস্তবায়ন,নগরের জলাবদ্ধতা নিরসন ও চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের উন্নয়ন সংক্রান্ত আলোচনা সভায় স্থানীয় সরকার মন্তী মো. তাজুল ইসলাম এসব কথা বলেন।

0
4

  ডেস্ক রিপোর্টঃ  

বঙ্গবন্ধু বেঁচে থাকলে ২০০০ সালেই বাংলাদেশ সিঙ্গাপুর হতো।আমাদের প্রাকৃতিক সুযোগ রয়েছে।চট্টগ্রাম বন্দর আমাদের গর্বের জায়গা। বন্দরের জায়গা দখল হয়ে যাচ্ছে। কর্ণফুলী নদীর পাড় লিজ দিয়ে ব্যবসা বাণিজ্যের সুযোগ কেন দিচ্ছেন আমি জানি না- আজ (৮ অক্টোবর) বৃহস্পতিবার সকালে চট্টগ্রাম সার্কিট হাউসে কর্নফুলী নদীর নাব্যতা বৃদ্ধি,দখল ও দূষন রোধে প্রণীত মাস্টারপ্লানের বাস্তবায়ন,নগরের জলাবদ্ধতা নিরসন ও চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের উন্নয়ন সংক্রান্ত আলোচনা সভায় স্থানীয় সরকার মন্তী মো. তাজুল ইসলাম এসব কথা বলেন।
এসময় তিনি চট্টগ্রামের প্রয়াত মেয়র এ বি এম মহিউদ্দিন চৌধুরীর কথা স্বরণ করে বলেন, মহিউদ্দিন সাহেব আওয়ামী লীগ সরকারের বিরুদ্ধে কথা বলতেন। তার মধ্যে বেসিক দেশপ্রেম ছিল। মন্ত্রী আরো বলেন, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী উন্নত দেশের স্বপ্ন দেখেন, ঢাকাতে উন্নতির সীমাবদ্ধ রাখা হবে না।গ্রামেও পোঁছে দেওয়া হবে।আমাদের বিভিন্ন ভাবে দায়িত্ব দিয়েছেন তিনি। আমরা বিভাজন নয়,ঐক্যবদ্ধ হবো। প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে দেশ ঐক্যবদ্ধ। প্রধানমন্ত্রী চট্টগ্রামের জন্যে আন্তরিক। তাই এতো প্রকল্প ও টাকা দিয়েছেন। আরো দেবেন যদি কাজে লাগাতে পারি।আগেও মহিউদ্দিন চৌধুরী বলতেন,ইনকাম জেনারেট করতে হচ্ছে। এখন সরকার সহায়তা দিচ্ছে। মন্ত্রী চট্টগ্রামের উন্নয়ন নিয়ে বলেন, হোল্ডিং ট্যাক্স সবাইকে দিতে হবে,পানির কস্টিং ২২ টাকা পড়লে আপনি ৯ টাকা দেন।মানুষের কল্যাণে যত কাজ তার সবই করবে স্থানীয় সরকার । প্রকল্প বাস্তবায়নে সাসটেইন্যাবল ডেভেলপমেন্টের বিষয় নিশ্চিত করতে হবে। ড্রেন কালভার্ট সঠিক ভাবে করতে হবে। ১০ টাকা বেশি খরচ হলেও সারা বছর কাটাকাটি চলবে না। ধুলোবালিতে উড়ছে ভারি ধাতু। মানুষ অসুস্থ হচ্ছে। চট্টগ্রাম বন্দর থেকে সব গাড়ি বের হয়ে যাচ্চে সিটি কর্পোরেশনের সড়ক দিয়ে, কিন্তু চসিককে তো কেউ বিদ্যুৎ,গ্যাস,পানি ফ্রি দিচ্ছে না। চট্টগ্রামের উন্নতির ক্ষেত্রে কোন আপস করবো না। উক্ত সভায় উপস্থিত ছিলেন পানি সম্পদ প্রতিমন্ত্রী জাহিদ ফারুক,গৃহায়ন ও গণপূর্ত প্রতিমন্ত্রী শরীফ আহমেদ,সংসদ সদস্য ওয়াসিকা আয়েশা খান, স্থানীয় সরকার মন্ত্রনালয়ের সিনিয়র সচিব হেলাল উদ্দিন আহমেদ, পানি সম্পদ মন্ত্রনালয়ের সিনিয়র সচিব কবির বিন আনোয়ার, নৌ সচিব মোহাম্মদ মেজবাহ উদ্দিন চৌধুরী, চট্টগ্রাম বিভাগী কমিশনারের সঞ্চালনায় সভায় আরো উপস্থিত ছিলেন,বন্দর চেয়ারম্যান রিয়ার এ্যাডমিরাল এস এম আবুল কালাম আজাদ, বিআইডব্লিউটিএ চেয়ারম্যান,চসিক প্রশাসক খোরশেদ আলম সুজন, সিডিএ চেয়ারম্যান জহিরুল আলম দোভাষ, চট্টগ্রাম ওয়াসার এমডি প্রকৌশলী একেএম ফজলুল্লাহ , সিডিএ এর প্রধান প্রকৌশলী হাসান বিন শামস প্রমুখ।
নিউজ৭১/জেএম/এআরএন

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে