পররাষ্ট্রমন্ত্রীকে বিভিন্ন সংগঠনের শুভেচ্ছাঃ এয়ারপোর্ট হয়রানি বন্ধ ও দ. আফ্রিকার দুতাবাস স্থাপনের দাবী

দক্ষিণ আফ্রিকার সাথে কুটনৈতিক ও ব্যবসায়িক সম্পর্ক জোরদার এবং দ্বি-পাক্ষিক সম্পর্কোন্নয়ন বর্তমান সময়ে খুবই জরুরী বলে মনে করছেন প্রবাসীরা।

0
1007
Dr AK Momen in SA

শাপলা টিভি রিপোর্টঃ
বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ.কে. আব্দুল মোমেন এম.পি গতরাতে দক্ষিণ আফ্রিকা এসে পৌছেছেন। এ সময় বিমানবন্দরে তাকে স্বাগত জানাতে দক্ষিণ আফ্রিকা আওয়ামী লীগ, যুবলীগ, বঙ্গবন্ধু ফাউন্ডেশন ও আমরা সিলেটবাসী স্ব-স্ব ব্যানার নিয়ে হাজির হয়। পরে মন্ত্রীকে হোটেল লবিতে ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা জানান বিভিন্ন সংগঠনের নেতৃবৃন্দ।

বঙ্গবন্ধু ফাউন্ডেশনের পক্ষ থেকে দ.আফ্রিকার সভাপতি আমির খন্দকার রুহেল, সি. সহ সভাপতি তাজুল ইসলাম জনি মন্ত্রীকে শুভেচ্ছা জানান।

পররাষ্ট্রমন্ত্রীর দক্ষিণ আফ্রিকার সফরকে ঘিরে প্রবাসীদের মাঝে উচ্ছাস বিরাজ করছে। দীর্ঘদিন পর পররাষ্ট্রমন্ত্রীর এই সফর দুই দেশের সম্পর্কোন্নয়ন এবং প্রবাসীদের দাবী দাওয়া পুরণ হবে বলে অনেকেই আশাবাদী।

বিভিন্ন প্রবাসী ও মিডিয়া ব্যক্তিদের সাথে কথা বলে জানা যায়, দক্ষিণ আফ্রিকা প্রবাসীরা দীর্ঘদিন থেকে এই দেশে অবহেলিত। প্রতিনিয়ত এই দেশে বাংলাদেশীরা খুন ও অপহরণের শিকার হন। প্রতিদিন এখানে প্রবাসীরা চুরি-ডাকাতির শিকার হন।

তাছাড়া বিমানবন্দরে দক্ষিণ আফ্রিকা প্রবাসীদের অযথা হয়রানি করা হয়। প্রবাসীদেরকে ঢাকা বিমানবন্দরে আটকে দিয়ে রেমিট্যান্স অর্জনে বাধাগ্রস্ত করা হচ্ছে। অনেকের কাছে ঢাকা বিমানবন্দর এক আতঙ্কের নাম।

দুই দেশের সাথে বাণিজ্যিক সম্পর্ক না থাকায় উচ্চমুল্যে শুল্কহারে ব্যবসায়ীরা বাংলাদেশ থেকে আমদানী ও রপ্তানি করতে পারছেন না। দক্ষিণ আফ্রিকার সাথে কুটনৈতিক ও ব্যবসায়িক সম্পর্ক জোরদার এবং দ্বি-পাক্ষিক সম্পর্কোন্নয়ন বর্তমান সময়ে খুবই জরুরী বলে মনে করছেন প্রবাসীরা। এজন্য ঢাকায় দক্ষিণ আফ্রিকার দুতাবাস স্থাপনে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণে পররাষ্ট্রমন্ত্রীর প্রতি জোরালো দাবী জানিয়েছেন দক্ষিণ আফ্রিকা প্রবাসীরা। আগামীকাল ও পরশু দুই দেশের মন্ত্রী পর্যায়ের বৈঠকে এসব দাবী বাস্তবায়নে পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সুদৃষ্টি কামনা করেছেন প্রবাসীরা।

সিলেট কমিউনিটির পক্ষ থেকে মন্ত্রীকে ফুলেল শুভেচ্ছা জানান সাহেদ চৌধুরী, নোমান মাহমুদ, আবু সুফিয়ান ও আব্দুল মুনিম প্রমূখ।

উল্লেখ্য, ১৯৯৫ সালের ২৬ ফেব্রুয়ারী দক্ষিণ আফ্রিকায় বাংলাদেশ দুতাবাসের কার্যক্রম শুরু হয়। এরপর থেকে দক্ষিণ আফ্রিকার রাজধানী প্রিটোরিয়ার 410 Farenden St, Sunnyside এলাকায় একটি বাড়ি থেকে বাংলাদেশ হাইকমিশনে লাল সবুজের পতাকা উড়ানো হয়।
দীর্ঘ ২৫ বছর পরও ঢাকায় দক্ষিণ আফ্রিকার দুতাবাস স্থাপন হয় নি। ফলে প্রবাসীদের অনেক দাবী-দাওয়া ও স্বার্থ সংশ্লিষ্ট বিষয় উপেক্ষিত রয়েছে। দুই বছর পূর্বে দক্ষিণ আফ্রিকার প্রতিনিধিদল ঢাকা সফর করে দুতাবাস স্থাপনের আশ্বাস দিলেও এখন পর্যন্ত তা আলোর মুখ দেখছে না। কুটনৈতিক ব্যর্থতা না কোন এক অজ্ঞাত কারণেই ঢাকায় দুতাবাস স্থাপন হচ্ছে না তা প্রশ্নসাপেক্ষ?

সাউথ আফ্রিকা যুবলীগের পক্ষে অপু আহমেদ, লিমন মুহাম্মদ, সুফিয়ান, আখতার জামান, তারেক প্রমূখ।

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে