প্রধানমন্ত্রীর আস্থার মর্যাদা রক্ষা করবো ; চসিক প্রশাসক সুজন

0
15

 

ডেস্ক রিপোর্ট : চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের নব নিযুক্ত প্রশাসক খোরশেদ আলম সুজন বলেছেন, আমার নেত্রী মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আমার প্রতি যে আস্থা রেখেছেন সেই আস্থার মর্যাদা জীবন দিয়ে হলেও রক্ষা করবো। সমস্ত মেধা, মনন দিয়ে নগরবাসীর জীবনমান উন্নয়নে এগিয়ে যাবো।

মঙ্গলবার দুপুরে এক প্রতিক্রিয়ায় খোরশদে আলম সুজন বলেন, আমি এই পদে আসার জন্যে কোন চেষ্টা তদবরি করিনি। ৫০ বছর ধরে রাজনীতির মাঠে রয়েছি দলের জন্য সর্বোচ্চ ত্যাগ স্বীকার করেছি। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা আমার উপর যেমন আস্থা রখেছেনে, তার সেই মর্যাদা আমি রক্ষা করবো।

৪ আগষ্ট সোমবার সচিবালয়ে স্থানীয় সরকারমন্ত্রী মোঃ তাজুল ইসলাম জানান, চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক হিসেবে খোরশদে আলম সুজন কে নিযুক্ত করেছে সরকার।

বঙ্গবন্ধুর আদর্শের রাজনীতি করা বাংলাদশে আওয়ামীলীগরে সনৈকি ৫০ বছর রাজনীতির মাঠে থেকে লড়েছেন বারংবার। সর্বশেষ চসিক নির্বাচনে গুঞ্জন উঠেছিল তার মনোনয়নের। তবে সে যাত্রায় মনোনয়ন না পলেওে করোনার প্রার্দুভাবে নির্বাচন স্থগিত হয়ে যায়।

এক নজরে এই লড়াকু সৈনিকের জীবন যুদ্ধ :

তিনি ১৯৭০ সালে আওয়ামী রাজনীতরি সাথে যুক্ত হোন অষ্টম শ্রেনীতে পড়া অবস্থায়, সর্বকনিষ্ঠ ছাত্র হিসেবে রাজনীতির মাঠে পাঁ রাখনে তিনি।

১৯৭০ সালে যখন পাকস্তিান সরকাররে আইয়ুব খান পাকস্থিান দশে ও কৃষ্টি নামক একটি বই ছাত্র সমাজরে উপর চাপিয়ে দয়ে তখন সারা বাংলার ছাত্র সমাজ আন্দোলন শুরু কর। সেই আন্দোলনরে মধ্য দায়িত্বে কনিষ্ঠ ছাত্র হিসেবে ছাত্র আন্দোলন করে রাজনীতরি যাত্রা শুরু করনে খোরশদে আলম সুজন।

আন্দোলন সংগ্রামে সক্রয়ি থাকা ছোট্ট সইে সুজন মুক্তযিুদ্ধ কালীন সবো শশ্রুষা করছেনে ১৯৭১ সনে মুক্তযিোদ্ধা ও মুক্তযিুদ্ধরে সশস্থ সংগ্রামে অংশগ্রহন করা বীরদরে।তাঁর এই কাজে ক্ষুব্ধ হয়ে তৎকালীন বীহারীরা তাকে ধরে নিয়ে যায় পরে স্থানীয় এলাকাবাসীর সহযোগীতায় তিনি মুক্ত হোন।

এরপর ১৯৭২ সনে কাট্টলী ওর্য়াড ছাত্রলীগরে সভাপতি নর্বিাচতি হোন তিনি। ১৯৭৩ সনে এসএসসি পরক্ষিায় সফলতায় সাথে উর্ত্তীণ হয়ে র্ভতি হোন চট্টগ্রাম সরকারী উচ্চ মাধ্যমকি কলজে। এর মধ্যে তিনি কাট্টলী ইউনয়িন ছাত্রলীগরে সাধারণ সম্পাদক ও সভাপতরি দায়িত্ব পালন করনে।

১৯৭৩ সনইে ডবলমুরিং থানা ছাত্রলীগরে সাংগঠনকি সম্পাদক নির্বাচিত হন।১৯৭৪ সনে নির্বাচিত হন চট্টগ্রাম সরকারী উচ্চ মাদ্যমিক কলেজের ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক ও চট্টগ্রাম নগর ছাত্রলীগের সদস্য।

বঙ্গবন্ধুকে হত্যার সময় চট্টগ্রাম সরকারী উচ্চ মাধ্যমিক কলেজের ছাত্র থাকা অবস্থায় ১৯৭৫ সনরে ১৫ আগষ্ট তিনি চট্টগ্রামে আন্দরকিল্লা থেকে প্রথম একটি মিছিল বের করেন ।

১৯৭৬ সনে তিনি উচ্চতর ডিগ্রী র্অজনরে জন্য ভর্তি হন  চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে। সেখানে তিনি মাত্র ১৩ জন নিয়ে প্রতিষ্ঠা করেন চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগ।

১৯৭৬ থেকে ১৯৭৮ র্পযন্ত তিনি দায়ত্বি পালন করনে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের সাধারন সম্পাদকের পদে। এর পর ১৯৮২ পর্যন্ত দায়িত্ব পালন করেন চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের সভাপতি হিসেবে। পাশাপাশি ১৯৮০ থেকে ১৯৮২ সালে ছাত্রলীগ কেন্দ্রীয় জাতীয় পরিষদের সদস্য নির্বাজচত হন তিনি।

এরপর ১৯৮৬ থেকে ১৯৮৮ সালে নির্বাচিত হন কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের সহ-সভাপতি এবং কেন্দ্রীয় ছাত্র সংগ্রাম পরিষদের সদস্য নির্বাচিত হয়ে সক্রিয় অংশ গ্রহন করেন এরশাদ বিরোধী আন্দোলন। এর পর মজুরী কমিশন আন্দোলনসহ বিভিন্ন শ্রমিক আন্দোলনে সক্রিয়ভাবে যুক্ত ছিলেন সুজন। এরশাদ বিরোধী আন্দোলন করতে গিয়ে ২ বার জেল খাটেন । ১৯৮৮-৯০ সালে চট্টগ্রাম বিভাগীয় সিবিএ ননসিবিএ সমন্বয় সংগ্রাম পরিষদের প্রধান উপদেষ্টা নির্বাচিত হন। ১৯৯০-৯৮ সালে চট্টগ্রামে সন্ত্রাস ও মাদক বিরোধী সংগঠনের আহবায়কের দায়িত্ব পালন করেন। ১৯৯১ সালে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের শিল্প ও বানিজ্য উপকমিটির সদস্য নির্বাচিত হন। ১৯৯৬ সালের অসহযোগ আন্দোলনে তৎকালীন বিরোধীদলীয় নেতা শেখ হাসিনার নির্দেশে চট্টগ্রাম বন্দর অবরোধসহ অসহযোগ আন্দোলন সফল করেন সুজন।

২০১৭ সালে আনুষ্ঠানিকভাবে জনদুর্ভোগ লাঘবে জনতার ঐক্য চাই শীর্ষক নাগরিক উদ্যোগ নামক সংগঠনের যাত্রা শুরু হয়। যার প্রধান উপদেষ্টা হিসেবে নাগরিক সমস্যা এবং জনদুর্ভোগ লাঘবে পূর্ণোদ্যমে কাজ শুরু করেন সুজন।

নিউজ৭১/নয়ন

 

 

 

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে