ফিতরা কেন দিবেন? দক্ষিণ আফ্রিকায় এবারের সর্বনিম্ন ফিতরার পরিমাণ জেনে নিন

0
151

শাপলা টিভি ডেস্কঃ
প্রতিবছরের ন্যায় এবারো দক্ষিণ আফ্রিকায় ফিতরা ও ফিদিয়ার অর্থ নির্ধারণ করেছে জমিয়াতুল উলামা সাউথ আফ্রিকা।

সম্প্রতি এক বিজ্ঞপ্তিতে জমিয়াতুল উলামা জানায়, ১৪৪৩ হিজরি সনে (২০২২ সাল) দক্ষিণ আফ্রিকায় সর্বনিম্ন ফিতরা হানাফি মাজহাব অনুসারে স্থানীয় মুদ্রায় ২৬ রেন্ড এবং অন্যান্য তিন মাজহাব অনুসারীদের জন্য ৩৩ রেন্ড নির্ধারণ করা হয়েছে।

এছাড়াও প্রতি রোযা ভঙ্গ বাবত এবারের ফিদিয়াও নির্ধারণ করা হয়েছে। হানাফি মাজহাব অনুসারীদের জন্য প্রতি রোযার জন্য ফিদিয়ার অর্থ ধরা হয়েছে ২৬ রেন্ড এবং অন্যান্য তিন মাজহাব অনুসারীদের জন্য ফিদিয়া নির্ধারণ করা হয়েছে সর্বনিম্ন সাড়ে ১০ রেন্ড।

ফিতরা প্রদানের জন্য ব্যক্তির আর্থিক অবস্থা বিবেচনায় অধিক সংখ্যক অর্থ দান করা উচিত বলে ইসলামী চিন্তাবিদদের অভিমত। ধনী ব্যক্তিরা চাইলে নিজে সামর্থ অনুযায়ী ৩.৩কেজি পরিমাণ খেজুর/পনির/কিসমিসের সমতুল্য স্থানীয় বাজারমূল্য অনুযায়ী দিতে পারেন।

প্রবাসীদের ফিতরা প্রদানের ক্ষেত্রে বাংলাদেশ মুসলিম সোসাইটি অব সাউথ আফ্রিকার মহাসচিব মুফতি খলিলুর রহমান বলেন, প্রবাসীরা যেদেশে আছেন সেখানেও ফিতরা প্রদান করতে পারবেন আবার নিজ দেশে নিজের এলাকায়ও প্রদান করতে পারবেন। এক্ষেত্রে যে দেশে ফিতরা আদায় করা হবে সেখানকার ঈদের নামাজের পূর্বে ফিতরা দিয়ে দেয়া উত্তম।

ইসলামিক সেন্টার অব জোহানেসবার্গের পরিচালক হাফিজ জুনাইদ আল হাবীব জানান, ফিতরা বা সাদকাতুল ফিতর হলো সেই নির্ধারিত সাদকা। এটিকে জাকাতুল ফিতরও বলা হয়। ঈদের দিন সকালেও যদি করো কাছে নিসাব পরিমাণ সম্পদ- সাড়ে ৭ ভরি সোনা বা সাড়ে ৫২ ভরি রুপা বা সমমূল্যের ব্যবসাপণ্য থাকে তবে তাকে তাঁর নিজের ও পরিবারের ছোট–বড় সবার পক্ষ থেকে ফিতরা আদায় করা ওয়াজিব।

অসহায় প্রতিবেশি ও স্বজনদের জন্য ফিতরা, দান-অনুদান ও উপহার সামগ্রী প্রদান আল্লাহর সন্তুষ্টি পাওয়ারও অন্যতম মাধ্যম। রোজা পালনে কোনোভাবে যদি রোজার আংশিক ক্ষতি, ত্রুটি-বিচ্যুতি হয়; তার সমাধান ও মুক্তির মাধ্যম হচ্ছে- অসচ্ছল, অসহায় ব্যক্তিদের মাঝে ঈদগাহে যাওয়ার পূর্বে ফিতরা আদায় করা। যা আমাদের জন্য একান্ত আবশ্যকীয়।

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে