ভাণ্ডারীর চ্যালেঞ্জের মধ্যেই ফটিকছড়ি ঘুরে এলেন নদভী

0
17

ফটিকছড়ি প্রতিনিধি : ফটিকছড়ির সাংসদ ও তরিকত ফেডারেশনের চেয়ারম্যান সৈয়দ নজিবুল বশর মাইজভাণ্ডারীকে চ্যালেঞ্জ ছুঁড়ে দিয়েই চট্টগ্রামের ফটিকছড়ি থেকে ঘুর গেলেন সাতকানিয়ার সাংসদ আবু রেজা মুহাম্মদ নেজামউদ্দিন নদভী।

শুক্রবার (৪ ডিসেম্বর) বিকেলে তিনি ফটিকছড়ির নানুপুর জামেয়া ইসলামিয়া ওবাইদিয়া মাদ্রাসার দুই দিনব্যাপী বার্ষিক মাহফিলে যোগ দেন। তবে মঞ্চে কোনো বক্তব্য রাখেননি তিনি। এই মাহফিলে যোগ দেন হেফাজত ইসলামের আমীর আল্লামা জুনায়েদ বাবুনগরীও।

এর আগে নাজিরহাট বড় মাদ্রাসায় মুহতামিম নিয়োগের বিষয় নিয়ে উত্তেজনার মধ্যে হেফাজতের সাবেক মহাসচিব ও বর্তমান আমির মাওলানা জুনায়েদ বাবুনগরীর সরাসরি পক্ষ নেন ভান্ডারী। ওই মাদ্রাসার এক সভায় জুনায়েদ বাবুনগরীকে হেফজতে ইসলামের আমির করার প্রস্তাব দেন ভান্ডারী। একই সঙ্গে তিনি নাজিরহাট বড় মাদ্রাসা ও হেফাজত ইস্যুতে মাথা না ঘামানোর জন্য নদভীকে পরামর্শ দিয়ে হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছিলেন ফটিকছড়িতে নদভীকে ঢুকতে দেওয়া হবে না।

এরপর পাল্টা এক ভিডিওবার্তায় বিদ্রুপের সুরে ভাণ্ডারীকেই হেফাজতের আমির হয়ে যাওয়ার প্রস্তাব দেন নদভী। এসব ইস্যুতে ভাণ্ডারী ও নদভীর মধ্যে চাপা গ্রুপিং প্রকাশ্যে রূপ নেয়।

ফটিকছড়িতে নদভীকে ঢুকতে দেওয়া হবে না— এমন হুঁশিয়ারির পরও শুক্রবার (৪ ডিসেম্বর) বিকেলে ফটিকছড়িতে যান নদভী। তবে মঞ্চে তিনি উঠেননি, বক্তব্যও রাখেননি।

সাতকানিয়ার সাংসদ আবু রেজা মুহাম্মদ নেজামউদ্দিন নদভী বলেন, ‘আমাকে কেউ বাধা দিয়ে রাখতে পারবে না। প্রতিহতও নয়। কারণ আমি ইসলামের খেদমত করার জন্য ফটিকছড়িতে এসেছি। আমার পরিচালিত ফাউন্ডেশন থেকে ফটিকছড়িতে টিউবওয়েল স্থাপন ও মসজিদ-মাদ্রাসায় দান করা হয়। আমি ফটিকছড়ির সব মাদ্রাসায় যাবো। আমাকে কেউ বাধা দেওয়া মানে ইসলামকে বাধা দেওয়া, ধর্মীয় কাজে বাধা দেওয়া।

নিউজ৭১/জেএম

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে