র্বতমান সময়ের লেখিকাদের মধ্যে আলোকিত নাম : শাম্মী তুলতুল

র্বতমান সময়ের লেখিকাদের মধ্যে আলোকিত নাম শাম্মী তুলতুল। এরই মধ্যে ১৪টি বই প্রকাশিত করে লেখক সমাজে তৈরী করে নিয়েছেন নিজের অবস্থান। লেখালেখির মাধম্যে সমাজে অবদান রাখায় এরই মধ্যে পেয়েছেন বেস কিছু সম্মাননা। সম্প্রতি উদ্ভাসিত মুখ নামের একটি সামাজিক সংগঠন থেকে লেখালেখিতে সামাজিক সচেনতা তৈরীতে পেয়েছেন "সুপারস্টার এ্যাওর্য়াড"।

0
39

  ডেস্কঃ 

র্বতমান সময়ের লেখিকাদের মধ্যে আলোকিত নাম শাম্মী তুলতুল। এরই মধ্যে ১৪টি বই প্রকাশিত করে লেখক সমাজে তৈরী করে নিয়েছেন নিজের অবস্থান। লেখালেখির মাধম্যে সমাজে অবদান রাখায় এরই মধ্যে পেয়েছেন বেস কিছু সম্মাননা। সম্প্রতি উদ্ভাসিত মুখ নামের একটি সামাজিক সংগঠন থেকে লেখালেখিতে সামাজিক সচেনতা তৈরীতে পেয়েছেন “সুপারস্টার এ্যাওর্য়াড”।

সিলেটের সুনামগঞ্জের সামাজিক সংগঠন উদ্ভাসিত মুখ এর পক্ষে থেকে শিঘ্রই জমজমাট এক অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে “সুপারস্টার এ্যাওর্য়াড”  শাম্মী তুলতুল এর হাতে তুলে দেয়া হবে বলে জানান সংগঠনের পক্ষ থেকে।

এমন সম্মাননা পুরস্কার পাওয়ার পর অনুভূতি প্রকাশ করতে গিয়ে লেখিকা শাম্মী তুলতুল বলেন, কোনদিন কোন পুরষ্কারের আশা করে নিজের কাজ করিনি। ছোট থেকে পারিবারিকভাবে দেশের প্রতি একটা মায়া কাজ করতো।যেহেতু আমার পরিবার ছিল মুক্তিযোদ্ধার পরিবার, তাই আরও বেশি মানব সেবা জাগ্রত হতো মনে। সেই থেকেই নিজের ইচ্ছায় কলম ধরেছি। কিন্তু সব সময় শুনে এসেছি পুরষ্কারে দুর্নীতি হয় তাই এসব বিষয়ে আগ্রহ ছিলনা। কিন্তু যখন হঠাৎ এসব ঘোষণা আমার জন্য শুনি তখন ভাবি আসলেই অনেক ভালো মানুষ আছেন যারা পরিশ্রম করে এগিয়ে যাচ্ছেন, তাদের মূল্যায়ন করার জন্য সমাজে এমনও অনেক মানুষ রয়েছে।তার প্রমাণ পাচ্ছি। আর একই মাসেই দু’দুটো পুরষ্কার/সন্মাননা পেয়ে আমার খুশিতে কান্না চলে এসেছে। এর আগে পেয়েছি স্বাধীন বাংলার প্রথম দৈনিক আজাদীর শ্রদ্ধেয় ইঞ্জিনিয়ার আব্দুল খালেক সন্মাননা পুরষ্কার।সব সময় আমার মাকে খুব খুব মনে পরে । আমার মা থাকেন ওই আকাশে। বলতে ইচ্ছে করে দেখো তোমার ফাঁকিবাজ মেয়েটির কাজের মূল্যায়ন কোথায় কোথায় ছড়িয়ে যাচ্ছে।আমি আমার দেশকে ভালোবাসি ভীষণ। দেশ,দেশীয় ঐতিহ্য সব সময় নিজ লেখনির মাধ্যমে তুলে ধরি। তাই যেই প্রান্ত থেকেই আমাকে মূল্যায়ন করা হয় আমি অত্যন্ত খুশী আর গর্ব করি। ভাবি আমার দেশের যেকোনো মানুষ আমাকে কত ভালোবাসেন। সামনে সাহিত্যের হাত ধরে আমি পুরো দেশের আনাচে কানাচে টেকনাফ থেকে তেতুলিয়ায় আমার পাঠকের হৃদয়ে জায়গা করে নিতে চাই। ছড়িয়ে যেতে চাই কলম শক্তি দিয়ে পথে প্রান্তরে সকলের হৃদয়ে।

এরআগে তিনি করোনায় মানব সেবার জন্য  বিশেষ সম্মানে একটি সংগঠনের পিস এ্যাম্বাসেডর হন। সেই সংগঠনেও সন্মাননা দেওয়া হয় লেখালেখিতে বিশেষ অবদানের জন্য। । বর্তমানে প্রথম সারির বেশ কয়েকটি পত্রিকায় নিয়মিত লেখালেখি করছেন তিনি ।সুদুর ভারতওে রয়েছে তার লেখার পাঠক সমাজ, তাই ভারত- বাংলাদেশ দুই বাংলার জনপ্রিয় লেখিকা এখন শাম্মী তুলতুল।

নিউজ৭১/এআরএন

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে