FILE PHOTO: coronavirus vaccine

নোমান মাহমুদ, শাপলা টিভিঃ
করোনার ৩য় ঢেউয়ে দক্ষিণ আফ্রিকা বিপর্যস্ত। করোনার সংক্রমন যেভাবে অব্যাহত রয়েছে তাতে দেশের অর্থনীতি মারাত্মক ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। বেকারত্বের বিষবাষ্পে জর্জরিত গোটা দেশ। দুর্নীতির অক্টোপাসে নিমজ্জিত রামাপোসা সরকার।

করোনা সংক্রমণ ঠেকাতে সরকার লকডাউনের ২য় সর্বোচ্চ লেভেল-৪ প্রয়োগ করেছে যাতে অনেক ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। বিশেষকরে রেস্টুরেন্ট ও এলকোহল ব্যবসায় ব্যাপক ধ্বস নেমেছে। বিভিন্ন কলকারখানায় উৎপাদন ব্যাহত হয়েছে।

এমতাবস্থায় চলমান লেভেল-৪ লকডাউনের ১৪ দিন শেষ হতে চলেছে; তবুও সংক্রমনের হার কমছে না। এমন মুহুর্তে লেভেল-৪ অব্যাহত থাকবে কিনা কিংবা সর্বোচ্চ লেভেল-৫ প্রয়োগ করা হবে কিনা তা নিয়ে চলছে চুলচেরা বিশ্লেষণ। জনমনে বাড়ছে উদ্বেগ-উৎকন্ঠা। ব্যবসায়ীরা হতাশ।

দেশের অর্থনৈতিক বিপর্যয়ের এহেন পরিস্থিতিতে সরকার লকডাউন লেভেল-৫ প্রয়োগের চিন্তা করছে না। হয়তো বা লকডাউন লেভেল-৪ আরো কিছুদিন অব্যাহত রাখতে পারে। আগামীকাল ১১ জুলাই ন্যাশনাল করোনা কমান্ড কাউন্সিলের মিটিং রয়েছে; সেখানে পরবর্তী সিদ্ধান্ত আসবে যা রাতে রাষ্ট্রপতি সিরিল রামাপোসা জাতির উদ্দেশ্যে ভাষণ দিয়ে জানিয়ে দিবেন।

তবে সরকার কড়া লকডাউনে না গিয়ে ভ্যাকসিনেশনের উপর গুরুত্ব দিচ্ছে। ইতিমধ্যে ভ্যাকসিন কার্যক্রম জোরালো করা হয়েছে। বর্তমানে ৫০ উর্ধ্বদের ভ্যাকসিন রেজিস্ট্রেশন কার্যক্রম চলছে; আগামী ১৫ জুলাই থেকে ৩৫ বছর উর্ধ্বদের ভ্যাকসিন রেজিষ্ট্রেশন শরু হবে। সরকার চায় আগামী ডিসেম্বরের মধ্যে দুই তৃতীয়াংশ জনসাধারণকে ভ্যাকসিনেশনের আওতায় নিয়ে আসবে।

বিশেষজ্ঞ মহল ও সরকারের নীতিনির্ধারকরা মনে করেন, করোনা সংক্রমণ রোধ করে দেশের অর্থনীতির চাকা সচল করতে ভ্যাকসিনেশনের বিকল্প নেই। ইউরোপ আমেরিকার মতো বৃহৎ জনগোষ্ঠীকে ভ্যাকসিনেশনের আওতায় এনে লকডাউন তুলে দিতে হবে; তাতেই দেশে অর্থনীতি গতিশীল হবে বলে বিশেষজ্ঞদের ধারণা। আর রামাপোসা সরকার সে পথেই হাটছে…..।

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে