শাপলা টিভি রিপোর্টঃ
২৬ ফেব্রুয়ারী ১৯৯৫ সালে দক্ষিণ আফ্রিকায় বাংলাদেশ দুতাবাসের কার্যক্রম শুরু হয়। এরপর থেকে দক্ষিণ আফ্রিকার রাজধানী প্রিটোরিয়ার 410 Farenden St, Sunnyside এলাকায় একটি বাড়ি থেকে বাংলাদেশ হাইকমিশনে লাল সবুজের পতাকা উড়ানো হয়।

১৯৯৫ সাল থেকে ২০২১ সাল। আগামী ২৬ ফেব্রুয়ারী হাইকমিশন প্রতিষ্ঠার ২৬ বছর পূর্ণ হবে। এর পূর্বেই বাংলাদেশ হাইকমিশনে শহীদ মিনার নির্মাণ করা হয়েছে।

হাইকমিশন চত্বরে নবনির্মিত শহীদ মিনার

হাইকমিশনের যাত্রার পর থেকেই রাষ্ট্রীয়ভাবে বিভিন্ন দিবস পালন হয়ে আসছে কিন্তু একটি শহীদ মিনার না থাকার কারণে ২১শে ফেব্রুয়ারী, ২৬শে মার্চ, ১৬ই ডিসেম্বর কিংবা অন্যান্য দিবসে ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা জানাতে পারেন নি প্রবাসীরা।
দীর্ঘদিন থেকে প্রিটোরিয়াস্থ হাইকমিশনে একটি স্থায়ী শহীদ মিনার নির্মানের দাবী বহুবার একাধিক অনুষ্ঠানে উঠানো হয়। কিন্তু পরিকল্পিত উদ্যোগের অভাবে দীর্ঘদিন থেকে শহীদ মিনার নির্মান না হওয়ায় প্রবাসীদের মধ্যে চাপা ক্ষোভ বিরাজ করে।

সেই ক্ষোভ প্রশমন করে প্রবাসীদের মনের দাবী পুরণ করলেন গতবছর দক্ষিণ আফ্রিকায় নিযুক্ত হাইকমিশনার নুর-ই হেলাল সাইফুর রহমান। তিনি গত মাসে প্রিটোরিয়াস্থ হাইকমিশন চত্বরে শহীদ মিনার নির্মাণের কাজ শুরু করেন। নবনির্মিত এই শহীদ মিনার গত ২১ শে ফেব্রুয়ারী আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধন করা হয়।

ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা নিবেদন করছেন হাইকমিশনার নুর-ই হেলাল

শহীদ মিনারে প্রথমেই ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন হাইকমিশনার নুর-ই হেলাল সাইফুর রহমান। এরপর একে একে শহীদ মিনারে ফুলের তোড়া দিয়ে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন দক্ষিণ আফ্রিকা আওয়ামীলীগের নেতৃবৃন্দ, বাংলাদেশ প্রবাসী অধিকার পরিষদ, বুড্ডিষ্ট কমিউনিটি ফোরাম সহ বিভিন্ন সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠন।
এছাড়াও ব্যক্তিগতভাবে অসংখ্য প্রবাসীরা ফুল দিয়ে ভাষা শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানান।

শহীদ মিনারে শ্রদ্ধাঞ্জলী শেষে সামাজিক ও সাংবাদিক নেতৃবৃন্দ

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে