• বুধবার, ২৪ জুলাই ২০২৪, ০৭:২৪ অপরাহ্ন
শিরোনামঃ
জোহানেসবার্গে ইসলামিক ফোরাম অব আফ্রিকার প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উদযাপন দক্ষিণ আফ্রিকার মাফিকিংয়ে অপহরণের ৩দিন পর মিললো প্রবাসী যুবকের লাশ হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে দক্ষিণ আফ্রিকার কেপটাউনে বাংলাদেশীর মৃ ত্যু কর্মকর্তা কর্মচারীদের উদ্দেশ্যে নতুন হোম এফেয়ার্স মিনিস্টারের খোলা চিঠি লেনেসিয়াতে ডাকাতিকালে দুই বাংলাদেশী গুলিবিদ্ধ; বোন জামাই নিহত রামাপোসাকে ফোন করে অভিনন্দন জানালেন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন; এক সাথে কাজ করার আগ্রহ পুনর্ব্যক্ত দক্ষিণ আফ্রিকায় পিঠা উৎসব: অনুভবে অনুক্ষণ প্রিয় সিলেট দক্ষিণ আফ্রিকার নর্থওয়েস্টে পরিকল্পিতভাবে সিলেটের যুবক খুন হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে দক্ষিণ আফ্রিকা প্রবাসী যুবকের মৃত্যু শহীদ জিয়ার ৪৩তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষ্যে কেপটাউনে বিএনপির আলোচনা ও দোয়া মাহফিল
প্রবাসী খবরঃ
জোহানেসবার্গে ইসলামিক ফোরাম অব আফ্রিকার প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উদযাপন দক্ষিণ আফ্রিকার মাফিকিংয়ে অপহরণের ৩দিন পর মিললো প্রবাসী যুবকের লাশ লেনেসিয়াতে ডাকাতিকালে দুই বাংলাদেশী গুলিবিদ্ধ; বোন জামাই নিহত দক্ষিণ আফ্রিকার নর্থওয়েস্টে পরিকল্পিতভাবে সিলেটের যুবক খুন হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে দক্ষিণ আফ্রিকা প্রবাসী যুবকের মৃত্যু দক্ষিণ আফ্রিকায় সিলেট এসোসিয়েশনের কমিটি গঠন: সেরুল আহবায়ক, নোমান সদস্য সচিব নুরে হেলালের বিদায়: সাউথ আফ্রিকা আসছেন নবনিযুক্ত রাষ্ট্রদূত শাহ আহমদ শাফি জামিন পায় নি চার বাংলাদেশী কিডন্যাপার; সর্বোচ্চ শাস্তি চান প্রবাসীরা কেপটাউনে বর্নাঢ্য আয়োজনে সিলেট ডিভিশন ফোরামের ঈদ পুণর্মিলনী অনুষ্ঠিত হৃ দ রো গে আক্রান্ত হয়ে দক্ষিণ আফ্রিকার ইস্টার্ণকেপে প্রবাসীর মৃ ত্যু

পদমর্যাদায় নয়, জনকল্যানে নিজের শ্রেষ্ঠত্ব প্রমাণ করেছেন ডিআইজি আব্দুল্লাহ্ আল মামুন

Reporter Name / ৪৪৯ Time View
Update : রবিবার, ৯ সেপ্টেম্বর, ২০১৮

 

মোহাম্মদ রাসেল :
একজন উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা হয়েও আত্নঅহমিকায় গা ভাসিয়ে না দিয়ে সততা এবং নিষ্ঠার সাথে কর্মদক্ষতার প্রমাণ দিয়ে এক উজ্জ্বল দৃষ্ঠান্ত স্থাপন করেছেন বাংলাদেশ পুলিশের বর্তমান ঢাকা রেঞ্জের ডেপুটি ইন্সপেক্টর জেনারেল (ডিআইজি) আব্দুল্লাহ্ আল মামুন। সুনামগঞ্জ জেলার শ্রীহৈল গ্রামের এক সম্ভ্রান্ত মুসলিম পরিবারে ১৯৬৪ সালের ১২ই জানুয়ারী তাঁর জন্ম। সফল শিক্ষা জীবনে ১৯৮৬ সালে তিনি কৃতিত্বের সাথে বিসিএস পরীক্ষায় উত্তীর্ন হন। অতঃপর তিনি কর্ম জীবনে পদার্পন করেন। ১৯৮৯ সালে তিনি বাংলাদেশ পুলিশ বাহিনীতে এএসপি হিসেবে যোগদান করেন। শুরু হয় অন্যায়ের বিরুদ্ধে তাঁর অবিরাম ছুটেচলা। আব্দুল্লাহ্ আল মামুন কর্মসূত্রে বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন জেলায় গুরুত্বপূর্ন পদে দায়িত্বরত থেকে আদর্শের স্বাক্ষর রেখেছেন। তিনি যেসব পদে দায়িত্বরত ছিলেন, ঢাকা মেট্রো পলিটন পুলিশ (ডিএমপি) এর এ্যাসিসটেন্ট কমিশনার, আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়ন এর এএসপি, ব্রাক্ষণবাড়িয়া জেলার সদর সার্কেল এএসপি, সিরাজগঞ্জ জেলার রায়গঞ্জ সার্কেল এএসপি, চাঁদপুর জেলার হাজীগঞ্জ সার্কেল এএসপি, ডিএমপির এডিসি, নীলফামারী জেলার এসপি, ডিএমপি ডিসি, পুলিশ সদরদপ্তর এ এআইজি (কনফিডেন্সিয়াল)। তারপর তিনি ঢাকা রেঞ্জে এডিশনাল ডিআইজি হিসেবে যোগদান করেন। কিছুদিন পরেই তিনি পুলিশ সদরদপ্তর এ ডিআইজি (অপারেশন) হিসেবে যোগদান করেন। বর্তমানে তিনি ঢাকা রেঞ্জের ডিআইজি পদে সততার সাথে দায়িত্ব পালন করে যাচ্ছেন। তবে তাঁর এই দীর্ঘ পথচলা একেবারেই সহজ ছিলো না। দায়িত্ব পালনকালে বহু বাধা বিপত্তি অতিক্রম করতে হয়েছে। তবুও তিনি অন্যায় এবং অপরাধীদের বিরুদ্ধে নিরন্তর কাজ করে যাচ্ছে। তাঁর এ পদাঙ্ক অনুসরন করে বাংলাদেশ পুলিশের অনেক কর্মকর্তাই স্বমহিমায় উজ্জ্বল। তাঁর দিকনির্দেশনা পুলিশ সদস্যদের চলার পথের পাথেয়। তিনি কর্ম ও সত্যনিষ্ঠ জীবন পরিচালনায় বিশ্বাসী। তাইতো জীবনের প্রতিটি প্রদক্ষেপেই তাঁর সফলতা। তিনি যোগ্যতা এবং আত্নবিশ্বাসে ভরপুর একজন বলিষ্ঠ পুলিশ কর্মকর্তা। আব্দুল্লাহ্ আল মামুন দেশে এবং বিদেশে বিভিন্ন ভাবে প্রশিক্ষন প্রাপ্ত যথা, ইউনাইটেড কিংডমে (এনপিআইএ, ব্রামশিল) ইন্টার ন্যাশনাল কমান্ডারস্ প্রোগ্রামে, প্যাসিফিক ট্রেনিং ইনিসিয়েটিব (পিটিআই) এর ২৩তম সেশনে, এফবিআই এবং ইউ এস এমবাসি ব্যাংকক এবং থাইল্যান্ড এ। তিনি গ্লোবাল প্যাকেজিং এর তিনটি ইউএন মিশনে করেন। ইউএন শান্তিরক্ষা মিশন বসনিয়া-হারজিগভিনা, লাইবেরিয়া, দ্বারফুর এ তিনি সফল ভাবে কাজ করেছেন। এছাড়াও তিনি কর্মসূত্রে এশিয়া, আফ্রিকা এবং ইউরোপে ভ্রমন করেন। প্রতিটি ক্ষেত্রেই তিনি সফলতার এক উজ্জ্বল নক্ষত্র। কর্মের স্বীকৃতিস্বরুপ তিনি প্রেসিডেন্ট পুলিশ মেডেল (পিপিএম) সম্মান এ ভূষিত হন। শুধু রাষ্ট্রীয় সম্মান নয়, জনগনের মনের মনি কোঠায় তিনি ঠাঁই করে নিয়েছেন। আব্দুল্লাহ্ আল মামুন নিজের পদমর্যাদাকে হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করে আখের গোছাতে পারতেন কিন্তু তিনি সকল লোভ-লালসাকে পদাঘাত করে নিজেকে শুধু জনকল্যান সাধনে নিয়োজিত রেখেছেন। শুধু পেশাদারিত্বের গন্ডির মধ্যে নয় তিনি বিভিন্ন সামাজিক উন্নয়ন মূলক কর্মকান্ডের সাথেও জড়িত। অসহায়দের পাশে দাড়ানোকে তিনি ধর্ম মনে করেন। সব মিলিয়ে এক কথায় তিনি একজন আদর্শ পুরুষ। পুলিশ কর্মকর্তাদের জন্য তিনি একজন মূর্তমান প্রতীক এবং বাংলাদেশের গর্ব। আমরা তাঁর সফলতা এবং দীর্ঘায়ু কামনা করি।


রিলেটেড খবর
bdit.com.bd