• বুধবার, ২৪ জুলাই ২০২৪, ০৭:২০ অপরাহ্ন
শিরোনামঃ
জোহানেসবার্গে ইসলামিক ফোরাম অব আফ্রিকার প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উদযাপন দক্ষিণ আফ্রিকার মাফিকিংয়ে অপহরণের ৩দিন পর মিললো প্রবাসী যুবকের লাশ হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে দক্ষিণ আফ্রিকার কেপটাউনে বাংলাদেশীর মৃ ত্যু কর্মকর্তা কর্মচারীদের উদ্দেশ্যে নতুন হোম এফেয়ার্স মিনিস্টারের খোলা চিঠি লেনেসিয়াতে ডাকাতিকালে দুই বাংলাদেশী গুলিবিদ্ধ; বোন জামাই নিহত রামাপোসাকে ফোন করে অভিনন্দন জানালেন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন; এক সাথে কাজ করার আগ্রহ পুনর্ব্যক্ত দক্ষিণ আফ্রিকায় পিঠা উৎসব: অনুভবে অনুক্ষণ প্রিয় সিলেট দক্ষিণ আফ্রিকার নর্থওয়েস্টে পরিকল্পিতভাবে সিলেটের যুবক খুন হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে দক্ষিণ আফ্রিকা প্রবাসী যুবকের মৃত্যু শহীদ জিয়ার ৪৩তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষ্যে কেপটাউনে বিএনপির আলোচনা ও দোয়া মাহফিল
প্রবাসী খবরঃ
জোহানেসবার্গে ইসলামিক ফোরাম অব আফ্রিকার প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উদযাপন দক্ষিণ আফ্রিকার মাফিকিংয়ে অপহরণের ৩দিন পর মিললো প্রবাসী যুবকের লাশ লেনেসিয়াতে ডাকাতিকালে দুই বাংলাদেশী গুলিবিদ্ধ; বোন জামাই নিহত দক্ষিণ আফ্রিকার নর্থওয়েস্টে পরিকল্পিতভাবে সিলেটের যুবক খুন হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে দক্ষিণ আফ্রিকা প্রবাসী যুবকের মৃত্যু দক্ষিণ আফ্রিকায় সিলেট এসোসিয়েশনের কমিটি গঠন: সেরুল আহবায়ক, নোমান সদস্য সচিব নুরে হেলালের বিদায়: সাউথ আফ্রিকা আসছেন নবনিযুক্ত রাষ্ট্রদূত শাহ আহমদ শাফি জামিন পায় নি চার বাংলাদেশী কিডন্যাপার; সর্বোচ্চ শাস্তি চান প্রবাসীরা কেপটাউনে বর্নাঢ্য আয়োজনে সিলেট ডিভিশন ফোরামের ঈদ পুণর্মিলনী অনুষ্ঠিত হৃ দ রো গে আক্রান্ত হয়ে দক্ষিণ আফ্রিকার ইস্টার্ণকেপে প্রবাসীর মৃ ত্যু

সাবেক এমপি হয়েও ফেনীবাসীর ভালোবাসার আরেক নাম হাজী রহিম উল্যাহ

Reporter Name / ১০৫৬ Time View
Update : শনিবার, ৮ আগস্ট, ২০২০

ফেনী-৩ (সোনাগাজী-দাগনভূঁঞা) ও আ,লীগ নেতা হাজী রহিম উল্যাহ, বাংলাদেশের ইতিহাসে সম্ভবত এটি প্রথম যিনি প্রবাসে থেকে প্রথম ২০০৬ সালে দলীয় নমিনেশন পায় যা পরবর্তিতে ১/১১ সামরিক শাসন আমলে নির্বাচন বাতিল হয়।
পরে ২০১৪ সালে ১০ম জাতীয় সংসদ সদস্য নির্বাচনে ফেনী-৩ থেকে নির্বাচিত হয়ে জনগণের আস্থা ও ভালবাসার মানুষ হিসেবে খ্যাতি অর্জন করনে।
একেবারে সাধারণ একটি পরিবার থেকে উঠে আসা দল প্রিয় সাবেক সংসদ সদস্য হাজী রহিম উল্যাহ মহান মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে পরিবারের ৯ জন সদস্যকে হারিয়েছেন।
১৯৮২-৮৮ সালে তকালীন বিরোধীদের একাধিক মামলা মাথা নিয়ে প্রথমে পাকিস্তান পরে সৌদি আরবে প্রবেশ করে সেখানে ব্যাবসা-ভাণিজ্যর পাশাপাশি রাজনৈতিক দূরদর্শিতায় মননীয় প্রধানমন্ত্রীর নজর কাড়েন।
পরিবর্তে পুরষ্কার সরূপ জেদ্দা মহানগর আ,লীগের ২১ বছর সভাপতি,
দলীয় মনোনয়ন এবং সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন।
২০০১ সালে বিএনপি-জামাতের শাসন আমলে সন্ত্রাসীদের হাতে নির্মম ভাবে খুন হয় তাঁর আপন বড় ভাই হাজী আব্দুল রশিদ সরকার ও
২০০৭ সালে আবারো বিএনপি-জামাতের চিহ্নিত সন্ত্রাসীদের হাতে খুন হয় তাঁর ভাতিজা মাহফুজ, মাহফুজকে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর পক্ষ থেকে হাসপাতালে দেখতে গিয়ে কপিনে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানান বর্তমান সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের।
জানাযায়, ১৯৯২ সাল থেকে সোনাগাজী-দাগনভূঁঞা সহ ফেনীর এমন কোন নেতাকর্মী নেই যারা বিপদে আপদে,ঈদে ও বিশেষ দিবসে, হাজী রহিম উল্যাহর কাছ থেকে আর্থিক সহযোগিতা পায়নি।
একটা সময় পর্যন্ত সকল দলীয় অনুষ্ঠানের খরচ তিনি একাই বহন করে যেতেন।
অথচ দলের দুর্দিনে নেতাকর্মী আস্থার মানুষটিকে রাখা হয়নি জেলা- উপজেলার কোন সাংগঠনিক কোন দায়িত্বে বার বার রাখার কথা থাকলেও কেন তা বাস্তবায়ন হয়নি সেটাই রহস্য।
২০১৪ সালে ফেনী-৩ আসনের সাংসদ নির্বাচনের কিছুদিন পর থেকে ফেনী-২ আসনের সাংসদ ও জেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক নিজাম উদ্দিন হাজারীর সাথে বিরোধের সৃষ্টি হলেও কোন বিতর্কিত কমর্কান্ডের সাথে জড়িত ছিলেন না প্রতিবাদী হাজী রহিম উল্যাহ।
সংসদ সদস্য হিসাবেও তিনি ছিলেন সফল নির্বাচনী এলাকায় প্রায় ৭০-৮০ ভাগ কাঁচা রাস্তা পাকা করন সংস্কার ও নির্বাচনী এলাকায় শত ভাগ বিদ্যুতায়ন, জোরারগঞ্জ-কোম্পাগঞ্জ সড়কে অবদান, ব্রীজ কালভার্ট নির্মাণ, গ্রামের প্রতিটি সড়কে স্ট্রীট লাইটও মসজিদ মাদ্রাসায় সোলার সংযোজন,
বাড়ীতে বাড়ীতে গভীর নলকূপ স্থাপন, মানুষের মাঝে ত্রাণসামগ্রী বিতরন,সরকার কর্তিক বরাদ্ধের সঠিক ভাবে মানবন্টন,
এছাড়াও নিজের নামে বেশ কিছু শিক্ষা প্রতিষ্ঠান,মসজিদ নির্মাণ করেন তিনি।
প্রচন্ড সাহসী হাজী রহিম উল্যাহ রাজনীতিতে যেমন সফল তেমনি ব্যবসায়ী হিসেবেও সফল।
কিন্তু দল করতে গিয়ে হারিয়েছেন যেমন পরিবারের সদস্যদের ব্যয় করেছেন দেশ-বিদেশ শত শত কোটি টাকা। তবে অর্জন করেছেন তৃনমুলের নেতা-কর্মীদের অফুরন্ত ভালবাসা।
গত একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশে ঢাকা জাতীয় প্রেসক্লাবে সাংবাদিক সম্মেলনের মাধ্যমে মনোনয়ন প্রত্যাহার করে তিনি বর্তমান সাংসদ মহাজোট সমর্থিত জাতীয়পার্টির প্রার্থী লেঃ জেঃ (অবঃ) মাসুদ উদ্দিন চৌধুরীকে ফেনী-৩ থেকে সমর্থন দেন।
বর্তমানে স্বপরিবারে ঢাকার ধানমন্ডিতে বসবাস করছেন তৃনমূল থেকে উঠে আসা হাজী রহিম উল্যাহ।
ফেনী-৩ নির্বাচনী এলাকায় বার্তমান এখনো জনপ্রিয়তায় শীর্ষে অবস্থান করছেন তিনি। শত করা একশো ভাগের মধ্যে সত্তোর ভাগ মানুষ এখনো হাজী রহিম উল্যাহর পক্ষে।
অনেকে মনে করছেন মাননীয় প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের সভানেত্রী শেখ হাসিনা ত্যাগীদের মূল্যায়নের যে ঘোষণা করেছেন তা ত্যাগী ও বিশ্বস্ত কর্মী হিসেবে হাজী রহিম উল্যাহকে মূল্যায়ন করবেন।
মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার কাছে এমনটাই দাবী জানিয়েছেন ফেনী-০৩ আসনের সর্বস্তরের জনগন।


রিলেটেড খবর
bdit.com.bd