ঢাকা ১১:২৮ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৩১ মে ২০২৬, ১৭ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo দ্বিতীয় ধাপে সাউথ আফ্রিকা ছাড়তে প্রিটোরিয়াস্থ হাই কমিশনে ভিড় শত শত ঘানাইয়ানদের Logo সাউথ আফ্রিকার সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রীর বাসায় যেভাবে ডাকাতি হলো? আইনশৃঙ্খলা নিয়ে তুমুল সমালোচনা Logo পাঁচ বিদেশী শিশুর ভূয়া পিতৃত্বের দাবির অভিযোগে এক ব্যক্তিকে গ্রেফতার করেছে জোহানেসবার্গ হোম অফিস Logo আওয়ামী লীগ নেতা আবু নাছের শামীম স্মরণে জোহানেসবার্গে শোক সভা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত Logo সাড়ে ১২ বিলিয়ন রেন্ড ব্যয়ে সাউথ আফ্রিকার ৬টি সীমান্ত বন্দর আধুনিকায়ন হচ্ছে- হোম এফেয়ার্স মিনিস্টার Logo দুপুরে একজনের জানাযা, বিকালে আরেকজন নি’হতঃ দুই সপ্তাহে জোহানেসবার্গে তিন বাংলাদেশী খু-ন Logo সাউথ আফ্রিকার পামরিজে আবারো বাংলাদেশী খু-ন; কমিউনিটিতে আ তঙ্ক Logo যেমন দেখেছি যেমন চাই ১লা বৈশাখ: অতীত থেকে বর্তমান Logo সাউথ আফ্রিকার ডারবানে মায়ের হাতে দুই শিশু খু-ন Logo প্রথমবারের মতো জাম্বিয়ায় বাংলাদেশ হাই কমিশনের উদ্যোগে মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উদযাপন

ঢাকায় গেলেন দক্ষিণ আফ্রিকার রাষ্ট্রদূতঃ সম্পর্ক উন্নয়নে বিভিন্ন পরিকল্পনা তুলে ধরলেন

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ১০:১৬:০৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩১ জুলাই ২০২৫ ৩২৪৩ বার পড়া হয়েছে

ঢাকা সফর করেছেন বাংলাদেশ, ভারত ও নেপালে দায়িত্বপ্রাপ্ত দক্ষিণ আফ্রিকার হাইকমিশনার ড. অনিল সুকলাল।

এসময় সাংবাদিকদের সাথে মতবিনিময় কালে রাষ্ট্রদূত বলেন, বাংলাদেশের সাথে বাণিজ্য সম্পর্ক বাড়ানোর বিশাল সম্ভাবনা রয়েছে। যৌথ প্রচেষ্টার মাধ্যমে বাধা অতিক্রম করে বাণিজ্য ও বিনিয়োগ, শিক্ষা, সংস্কৃতি, ক্রীড়া ও ওষুধ শিল্পের ক্ষেত্রে বাংলাদেশের সাথে সম্পর্ক জোরদার করতে চায় দক্ষিণ আফ্রিকা।

আজ বৃহস্পতিবার (৩১ জুলাই) পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে কূটনৈতিক সাংবাদিকদের সংগঠন ডিপ্লোম্যাটিক করেসপন্ডেন্টস এসোসিয়েশন বাংলাদেশ (ডিক্যাব)-এর সদস্যদের সঙ্গে রাষ্ট্রদূতের মত বিনিময় অনুষ্ঠিত হয়েছে।

ড. সুকলাল বলেন, আমি দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি বেসরকারি খাতকে অর্থনৈতিক সম্পর্ক হিসেবে পরিচালনা করতে হবে। আমাদের সেই সক্ষমতা রয়েছে। তবে কিছু চ্যালেঞ্জও রয়েছে। ভিসা সমস্যা তার মধ্যে একটি। যা ইতোমধ্যে উত্থাপিত হয়েছে

অধ্যাপক সুকলাল দুই দেশের বাণিজ্য সংস্থার মধ্যে সহযোগিতা এবং বাংলাদেশি চেম্বার এবং দক্ষিণ আফ্রিকার অন্যতম প্রধান চেম্বারের মধ্যে একটি সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) থাকার গুরুত্ব তুলে ধরে বলেন, খসড়া সমঝোতা স্মারকটি আমি আশা করছি, এ বছরেই এটি চূড়ান্ত করা সম্ভব হবে।

ডিক্যাব-এর সদস্যদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন দক্ষিণ আফ্রিকার হাইকমিশনার ড. অনিল সুকলাল।

নিরাপত্তা সংক্রান্ত সাংবাদিককের প্রশ্নের জবাবে হাই কমিশনার বলেন, দক্ষিণ আফ্রিকায় তারা খুব খোলামেলাভাবে বলেছেন যে একটি দেশ হিসেবে তাদের নিরাপত্তা সংক্রান্ত চ্যালেঞ্জ রয়েছে। তিনি বলেন, এটি এমন একটি বিষয় যা সরকার নিয়মিতভাবে মোকাবেলা করছে – তা ব্যক্তিগত নিরাপত্তা হোক বা সম্প্রদায়ের নিরাপত্তা।

দক্ষিণ আফ্রিকায় প্রায় চার লাখের মতো বাংলাদেশি বসবাস করছেন উল্লেখ করে হাইকমিশনার বলেন, ক্রমবর্ধমান জনসংখ্যার দেশ হিসেবে এটি একটি উল্লেখযোগ্য অবস্থান। এটি একটি বিশাল উপস্থিতি। এবং আমি বিশ্বাস করি যে সম্পর্কের দিক থেকে এটি আমাদের জন্য একটি সুযোগ। যৌথ উদ্যোগের সম্ভাবনার কথা তুলে ধরে তিনি বলেন, দক্ষিণ আফ্রিকা তাদের কোম্পানিগুলোকে বাংলাদেশে সুযোগ অন্বেষণ করতে দেখতে চায়।

হাইকমিশনার বলেন, দক্ষিণ আফ্রিকা বৃহত্তর সাব-সাহারান অঞ্চলের কেন্দ্র হিসেবে ব্যবহার করা যেতে পারে, কারণ তাদের অবকাঠামো এই অঞ্চলের অন্যান্য দেশের তুলনায় বেশি। আমি বিশ্বাস করি কৃষি খাতে আপনারা খুবই শক্তিশালী। এটি এমন একটি খাত যেখানে আমরা সেই স্তরে নেই, যেখানে আমাদের থাকা উচিত ছিল। ব্যবসায়ীরা যৌথ উদ্যোগের দিকে তাকিয়ে আছে। সেখানে জমি পাওয়া যায়, কারণ দক্ষিণ আফ্রিকা একটি বিশাল দেশ।

তিনি বলেন, খনিজ ও খনিজ শিল্পে দক্ষিণ আফ্রিকা খুবই শক্তিশালী, যেখানে তাদের দক্ষতা আছে। এবং আমি বিশ্বাস করি যে এটি এমন একটি খাত যা আমরা নিজেদের মধ্যে এগিয়ে গিয়েও অন্বেষণ করতে পারি।

সারাবাংলা/একে/আরএস

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

ঢাকায় গেলেন দক্ষিণ আফ্রিকার রাষ্ট্রদূতঃ সম্পর্ক উন্নয়নে বিভিন্ন পরিকল্পনা তুলে ধরলেন

আপডেট সময় : ১০:১৬:০৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩১ জুলাই ২০২৫

ঢাকা সফর করেছেন বাংলাদেশ, ভারত ও নেপালে দায়িত্বপ্রাপ্ত দক্ষিণ আফ্রিকার হাইকমিশনার ড. অনিল সুকলাল।

এসময় সাংবাদিকদের সাথে মতবিনিময় কালে রাষ্ট্রদূত বলেন, বাংলাদেশের সাথে বাণিজ্য সম্পর্ক বাড়ানোর বিশাল সম্ভাবনা রয়েছে। যৌথ প্রচেষ্টার মাধ্যমে বাধা অতিক্রম করে বাণিজ্য ও বিনিয়োগ, শিক্ষা, সংস্কৃতি, ক্রীড়া ও ওষুধ শিল্পের ক্ষেত্রে বাংলাদেশের সাথে সম্পর্ক জোরদার করতে চায় দক্ষিণ আফ্রিকা।

আজ বৃহস্পতিবার (৩১ জুলাই) পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে কূটনৈতিক সাংবাদিকদের সংগঠন ডিপ্লোম্যাটিক করেসপন্ডেন্টস এসোসিয়েশন বাংলাদেশ (ডিক্যাব)-এর সদস্যদের সঙ্গে রাষ্ট্রদূতের মত বিনিময় অনুষ্ঠিত হয়েছে।

ড. সুকলাল বলেন, আমি দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি বেসরকারি খাতকে অর্থনৈতিক সম্পর্ক হিসেবে পরিচালনা করতে হবে। আমাদের সেই সক্ষমতা রয়েছে। তবে কিছু চ্যালেঞ্জও রয়েছে। ভিসা সমস্যা তার মধ্যে একটি। যা ইতোমধ্যে উত্থাপিত হয়েছে

অধ্যাপক সুকলাল দুই দেশের বাণিজ্য সংস্থার মধ্যে সহযোগিতা এবং বাংলাদেশি চেম্বার এবং দক্ষিণ আফ্রিকার অন্যতম প্রধান চেম্বারের মধ্যে একটি সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) থাকার গুরুত্ব তুলে ধরে বলেন, খসড়া সমঝোতা স্মারকটি আমি আশা করছি, এ বছরেই এটি চূড়ান্ত করা সম্ভব হবে।

ডিক্যাব-এর সদস্যদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন দক্ষিণ আফ্রিকার হাইকমিশনার ড. অনিল সুকলাল।

নিরাপত্তা সংক্রান্ত সাংবাদিককের প্রশ্নের জবাবে হাই কমিশনার বলেন, দক্ষিণ আফ্রিকায় তারা খুব খোলামেলাভাবে বলেছেন যে একটি দেশ হিসেবে তাদের নিরাপত্তা সংক্রান্ত চ্যালেঞ্জ রয়েছে। তিনি বলেন, এটি এমন একটি বিষয় যা সরকার নিয়মিতভাবে মোকাবেলা করছে – তা ব্যক্তিগত নিরাপত্তা হোক বা সম্প্রদায়ের নিরাপত্তা।

দক্ষিণ আফ্রিকায় প্রায় চার লাখের মতো বাংলাদেশি বসবাস করছেন উল্লেখ করে হাইকমিশনার বলেন, ক্রমবর্ধমান জনসংখ্যার দেশ হিসেবে এটি একটি উল্লেখযোগ্য অবস্থান। এটি একটি বিশাল উপস্থিতি। এবং আমি বিশ্বাস করি যে সম্পর্কের দিক থেকে এটি আমাদের জন্য একটি সুযোগ। যৌথ উদ্যোগের সম্ভাবনার কথা তুলে ধরে তিনি বলেন, দক্ষিণ আফ্রিকা তাদের কোম্পানিগুলোকে বাংলাদেশে সুযোগ অন্বেষণ করতে দেখতে চায়।

হাইকমিশনার বলেন, দক্ষিণ আফ্রিকা বৃহত্তর সাব-সাহারান অঞ্চলের কেন্দ্র হিসেবে ব্যবহার করা যেতে পারে, কারণ তাদের অবকাঠামো এই অঞ্চলের অন্যান্য দেশের তুলনায় বেশি। আমি বিশ্বাস করি কৃষি খাতে আপনারা খুবই শক্তিশালী। এটি এমন একটি খাত যেখানে আমরা সেই স্তরে নেই, যেখানে আমাদের থাকা উচিত ছিল। ব্যবসায়ীরা যৌথ উদ্যোগের দিকে তাকিয়ে আছে। সেখানে জমি পাওয়া যায়, কারণ দক্ষিণ আফ্রিকা একটি বিশাল দেশ।

তিনি বলেন, খনিজ ও খনিজ শিল্পে দক্ষিণ আফ্রিকা খুবই শক্তিশালী, যেখানে তাদের দক্ষতা আছে। এবং আমি বিশ্বাস করি যে এটি এমন একটি খাত যা আমরা নিজেদের মধ্যে এগিয়ে গিয়েও অন্বেষণ করতে পারি।

সারাবাংলা/একে/আরএস