ঢাকা ০৩:৩৫ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ জুলাই ২০২৬, ৩১ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo দুঃসময়ে অভিবাসীদের পাশে দাঁড়িয়ে প্রশংসিত সাউথ আফ্রিকার গিফট অব দ্যা গিভারস Logo বিদেশীদের উপর হামলা করে সাউথ আফ্রিকা বিশ্বাসঘাতকতা করেছে- বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার প্রধান Logo আপিংটনে প্রবাসী বাংলাদেশীর মৃত্যু: সিলেট এসোসিয়েশনের শোক প্রকাশ Logo ফরেইনার বিরোধী আন্দোলন: শীঘ্রই জাতির উদ্দেশ্যে ভাষণ দিবেন প্রেসিডেন্ট রামাপোসা Logo শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের শাহাদাত বার্ষিকী পালন করেছে দক্ষিন আফ্রিকা নর্থ বিএনপি Logo একটি সুষ্ঠু ও নিয়ন্ত্রিত অভিবাসন নীতি সকলের জন্য অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ও সুযোগ সৃষ্টি করতে পারে- রামাপোসা Logo দ্বিতীয় ধাপে সাউথ আফ্রিকা ছাড়তে প্রিটোরিয়াস্থ হাই কমিশনে ভিড় শত শত ঘানাইয়ানদের Logo সাউথ আফ্রিকার সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রীর বাসায় যেভাবে ডাকাতি হলো? আইনশৃঙ্খলা নিয়ে তুমুল সমালোচনা Logo পাঁচ বিদেশী শিশুর ভূয়া পিতৃত্বের দাবির অভিযোগে এক ব্যক্তিকে গ্রেফতার করেছে জোহানেসবার্গ হোম অফিস Logo আওয়ামী লীগ নেতা আবু নাছের শামীম স্মরণে জোহানেসবার্গে শোক সভা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত

দক্ষিণ আফ্রিকায় শেখ হাসিনার ভার্চুয়াল সভাকে ঘিরে ত্রিমুখী উত্তেজনা; পাল্টাপাল্টি হু-ম-কি

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৭:৪৭:৪২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ জানুয়ারী ২০২৫ ১৬২০ বার পড়া হয়েছে

শাপলা টিভি রিপোর্ট:
জুলাই বিপ্লবের পর শেখ হাসিনা সহ অসংখ্য কেন্দ্রীয় নেতা বিদেশে পালিয়ে গেছেন। বিভিন্ন দেশে নেতারা নিরাপদ আশ্রয়ে রয়েছেন যদিও গুটি কয়েকজন ছাড়া সবাই নিরব রয়েছেন।
ভারতে বসে শেখ হাসিনা প্রবাসের বিভিন্ন দেশে দলীয় নেতাকর্মীদের সাথে যোগাযোগ রাখছেন এবং ভার্চুয়াল সভা করে যাচ্ছেন। তার সাথে যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ড. হাছান মাহমুদ ও সাংগঠনিক সম্পাদক শফিউল আলম নাদেল বিভিন্নভাবে নেতাকর্মীদের চাঙ্গা করার চেষ্টা করছেন।

এরই ধারাবাহিকতায় দক্ষিণ আফ্রিকা আওয়ামী লীগের (একাংশের) উদ্যোগে আয়োজিত এক ভার্চুয়াল সভা করেন ড. হাছান মাহমুদ। এরপর থেকেই নড়েচড়ে বসে শেখ হাসিনার স্বাক্ষরিত সর্ব আফ্রিকা কমিটির নেতৃবৃন্দ।

তাদের উদ্যোগে আগামী ১৯ জানুয়ারী প্রিটোরিয়ার কোন এক স্থানে সভা ডাকা হয়েছে, যেখানে আওয়ামী লীগ সভানেত্রী শেখ হাসিনা ভার্চুয়ালি বক্তব্য রাখবেন।

তবে সেই সভাকে কেন্দ্র করে আওয়ামী লীগের দুই গ্রুপ মুখোমুখি অবস্থানে রয়েছে। পাশাপাশি দক্ষিণ আফ্রিকা বিএনপি’র একাংশ স্বৈরাচার শেখ হাসিনার দলীয় সভা বাতিলে দাবী করেছে। এই লক্ষ্যে দক্ষিণ আফ্রিকা বিএনপির পক্ষ থেকে সংবাদ সম্মেলনের পর প্রশাসনিক ব্যবস্থা গ্রহণের দাবীতে হাইকমিশনার মাধ্যমে পররাষ্ট্র উপদেষ্টার কাছে স্মারকলিপি দেয়া হয়েছে।
এ প্রসঙ্গে বিএনপির আহবায়ক একেএম আখতারুজ্জামান বলেন, আন্তর্জাতিক ট্রাইব্যুনালে শেখ হাসিনার উপর গ্রেফতারী পরোয়ানা জারী করা হয়েছে। একটি গণতান্ত্রিক দেশে বিশ্বব্যাপী স্বীকৃত স্বৈরাচার শেখ হাসিনা কোনভাবেই সভা করতে পারেন না। আমরা এসব কর্মকান্ডের নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি।

এদিকে দক্ষিণ আফ্রিকা আওয়ামী লীগের একাংশের দাবী- দক্ষিণ আফ্রিকায় দলকে সংগঠিত করতে ড. হাছান মাহমুদ সম্প্রতি উদ্যোগ নেয়ার কথা জানিয়েছেন। সেই প্রক্রিয়া চলমান কিন্তু এরই মধ্যে সর্ব আফ্রিকা আওয়ামী লীগের নেতারা সভানেত্রীকে ভুল বুঝিয়ে ভার্চুয়াল সভা করতে যাচ্ছে যা কোনভাবেই তৃণমূল নেতাকর্মীরা মেনে নিবে না।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক দক্ষিণ আফ্রিকা আওয়ামী লীগের এক নেতা শাপলা টিভিকে বলেন, ডা. রুপম ও তানসেনের কমিটি আমরা মানি না। তাদের ডাকে নেতাকর্মীরা আসবে না। আমরা যে কোন স্থানে তাদেরকে প্রতিহত করতে সক্ষম।

আওয়ামী লীগের একাংশ ও বিএনপির প্রতিহতের ঘোষণার ব্যাপারে সর্ব আফ্রিকা আওয়ামী লীগের যুগ্ম আহবায়ক আব্দুল আউয়াল তানসেন বলেন, “আমরা দেশের বর্তমান অস্থিতিশীল পরিস্থিতি নিয়ে সভা করবো। ড. ইউনুস যেভাবে দেশকে বিনাশ করে দিচ্ছে তার প্রতিবাদে আমাদের সভা। আমাদের সভা বিএনপি জামায়াতের বিরুদ্ধে নয়, কারণ তারা সরকারে নয়; আমাদের প্রতিবাদ ইউনুস সরকারের বিরুদ্ধে।
আর আওয়ামী লীগের কিছু নেতাকর্মী এখানে গন্ডগোল করার কথা বললেও আদতে তারা দলীয় সভানেত্রীর বিপক্ষে অবস্থান করবে বলে মনে হয় না।”

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

দক্ষিণ আফ্রিকায় শেখ হাসিনার ভার্চুয়াল সভাকে ঘিরে ত্রিমুখী উত্তেজনা; পাল্টাপাল্টি হু-ম-কি

আপডেট সময় : ০৭:৪৭:৪২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ জানুয়ারী ২০২৫

শাপলা টিভি রিপোর্ট:
জুলাই বিপ্লবের পর শেখ হাসিনা সহ অসংখ্য কেন্দ্রীয় নেতা বিদেশে পালিয়ে গেছেন। বিভিন্ন দেশে নেতারা নিরাপদ আশ্রয়ে রয়েছেন যদিও গুটি কয়েকজন ছাড়া সবাই নিরব রয়েছেন।
ভারতে বসে শেখ হাসিনা প্রবাসের বিভিন্ন দেশে দলীয় নেতাকর্মীদের সাথে যোগাযোগ রাখছেন এবং ভার্চুয়াল সভা করে যাচ্ছেন। তার সাথে যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ড. হাছান মাহমুদ ও সাংগঠনিক সম্পাদক শফিউল আলম নাদেল বিভিন্নভাবে নেতাকর্মীদের চাঙ্গা করার চেষ্টা করছেন।

এরই ধারাবাহিকতায় দক্ষিণ আফ্রিকা আওয়ামী লীগের (একাংশের) উদ্যোগে আয়োজিত এক ভার্চুয়াল সভা করেন ড. হাছান মাহমুদ। এরপর থেকেই নড়েচড়ে বসে শেখ হাসিনার স্বাক্ষরিত সর্ব আফ্রিকা কমিটির নেতৃবৃন্দ।

তাদের উদ্যোগে আগামী ১৯ জানুয়ারী প্রিটোরিয়ার কোন এক স্থানে সভা ডাকা হয়েছে, যেখানে আওয়ামী লীগ সভানেত্রী শেখ হাসিনা ভার্চুয়ালি বক্তব্য রাখবেন।

তবে সেই সভাকে কেন্দ্র করে আওয়ামী লীগের দুই গ্রুপ মুখোমুখি অবস্থানে রয়েছে। পাশাপাশি দক্ষিণ আফ্রিকা বিএনপি’র একাংশ স্বৈরাচার শেখ হাসিনার দলীয় সভা বাতিলে দাবী করেছে। এই লক্ষ্যে দক্ষিণ আফ্রিকা বিএনপির পক্ষ থেকে সংবাদ সম্মেলনের পর প্রশাসনিক ব্যবস্থা গ্রহণের দাবীতে হাইকমিশনার মাধ্যমে পররাষ্ট্র উপদেষ্টার কাছে স্মারকলিপি দেয়া হয়েছে।
এ প্রসঙ্গে বিএনপির আহবায়ক একেএম আখতারুজ্জামান বলেন, আন্তর্জাতিক ট্রাইব্যুনালে শেখ হাসিনার উপর গ্রেফতারী পরোয়ানা জারী করা হয়েছে। একটি গণতান্ত্রিক দেশে বিশ্বব্যাপী স্বীকৃত স্বৈরাচার শেখ হাসিনা কোনভাবেই সভা করতে পারেন না। আমরা এসব কর্মকান্ডের নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি।

এদিকে দক্ষিণ আফ্রিকা আওয়ামী লীগের একাংশের দাবী- দক্ষিণ আফ্রিকায় দলকে সংগঠিত করতে ড. হাছান মাহমুদ সম্প্রতি উদ্যোগ নেয়ার কথা জানিয়েছেন। সেই প্রক্রিয়া চলমান কিন্তু এরই মধ্যে সর্ব আফ্রিকা আওয়ামী লীগের নেতারা সভানেত্রীকে ভুল বুঝিয়ে ভার্চুয়াল সভা করতে যাচ্ছে যা কোনভাবেই তৃণমূল নেতাকর্মীরা মেনে নিবে না।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক দক্ষিণ আফ্রিকা আওয়ামী লীগের এক নেতা শাপলা টিভিকে বলেন, ডা. রুপম ও তানসেনের কমিটি আমরা মানি না। তাদের ডাকে নেতাকর্মীরা আসবে না। আমরা যে কোন স্থানে তাদেরকে প্রতিহত করতে সক্ষম।

আওয়ামী লীগের একাংশ ও বিএনপির প্রতিহতের ঘোষণার ব্যাপারে সর্ব আফ্রিকা আওয়ামী লীগের যুগ্ম আহবায়ক আব্দুল আউয়াল তানসেন বলেন, “আমরা দেশের বর্তমান অস্থিতিশীল পরিস্থিতি নিয়ে সভা করবো। ড. ইউনুস যেভাবে দেশকে বিনাশ করে দিচ্ছে তার প্রতিবাদে আমাদের সভা। আমাদের সভা বিএনপি জামায়াতের বিরুদ্ধে নয়, কারণ তারা সরকারে নয়; আমাদের প্রতিবাদ ইউনুস সরকারের বিরুদ্ধে।
আর আওয়ামী লীগের কিছু নেতাকর্মী এখানে গন্ডগোল করার কথা বললেও আদতে তারা দলীয় সভানেত্রীর বিপক্ষে অবস্থান করবে বলে মনে হয় না।”