ঢাকা ০৩:৩৫ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ জুলাই ২০২৬, ৩১ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo দুঃসময়ে অভিবাসীদের পাশে দাঁড়িয়ে প্রশংসিত সাউথ আফ্রিকার গিফট অব দ্যা গিভারস Logo বিদেশীদের উপর হামলা করে সাউথ আফ্রিকা বিশ্বাসঘাতকতা করেছে- বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার প্রধান Logo আপিংটনে প্রবাসী বাংলাদেশীর মৃত্যু: সিলেট এসোসিয়েশনের শোক প্রকাশ Logo ফরেইনার বিরোধী আন্দোলন: শীঘ্রই জাতির উদ্দেশ্যে ভাষণ দিবেন প্রেসিডেন্ট রামাপোসা Logo শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের শাহাদাত বার্ষিকী পালন করেছে দক্ষিন আফ্রিকা নর্থ বিএনপি Logo একটি সুষ্ঠু ও নিয়ন্ত্রিত অভিবাসন নীতি সকলের জন্য অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ও সুযোগ সৃষ্টি করতে পারে- রামাপোসা Logo দ্বিতীয় ধাপে সাউথ আফ্রিকা ছাড়তে প্রিটোরিয়াস্থ হাই কমিশনে ভিড় শত শত ঘানাইয়ানদের Logo সাউথ আফ্রিকার সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রীর বাসায় যেভাবে ডাকাতি হলো? আইনশৃঙ্খলা নিয়ে তুমুল সমালোচনা Logo পাঁচ বিদেশী শিশুর ভূয়া পিতৃত্বের দাবির অভিযোগে এক ব্যক্তিকে গ্রেফতার করেছে জোহানেসবার্গ হোম অফিস Logo আওয়ামী লীগ নেতা আবু নাছের শামীম স্মরণে জোহানেসবার্গে শোক সভা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত

হাইকোর্টের রায়ঃ অনেকটা স্বস্তি দিবে দক্ষিণ আফ্রিকায় এসাইলাম সিকারদের

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৭:২৫:৩১ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৬ মে ২০২৫ ৫১১৬ বার পড়া হয়েছে

শাপলা টিভি ডেস্ক:
দক্ষিণ আফ্রিকার ওয়েস্টার্ন কেপ হাইকোর্ট রিফুজি আইনের কিছু বিধানকে অসাংবিধানিক এবং অবৈধ ঘোষণা করেছে, যা অনেক আশ্রয়প্রার্থীকে (এসাইলাম সিকারদের) স্বস্তি দিবে।

গত দুই বছর ধরে রিফুজি আইনে এসব ধারাকে চ্যালেঞ্জ করে পরিচালিত মামলায় গতকাল হাইকোর্ট এই রায় দেয়।

২০২৩ সালে স্কালিব্রিনি সেন্টার নামে একটি সংস্থা শরণার্থী (রিফুজি) আইনের অধীনে আশ্রয়ের জন্য অভিবাসীদের পক্ষে মামলাটি পরিচালনা করে।

সংস্থাটি জানায়, বিদেশী নাগরিকদের আশ্রয়ের (এসাইলাম সিকার) আবেদনগুলি যথাযথভাবে বিবেচনা না করেই তাদেরকের দেশে ফেরত পাঠানো অসাংবিধানিক।

ওয়েস্টার্ন কেপ হাইকোর্টের সামনে শরণার্থী আইনের বেশ কয়েকটি ধারা বিতর্কিত ছিল।

রায়ে বলা হয়, হোম এফেয়ার্সের কোন কর্মকর্তা যদি মনে করেন কেউ অবৈধভাবে সাউথ আফ্রিকায় প্রবেশ করেছে তাহলে সে রিফুজি স্ট্যাটাস পাবে না, তাহলে তা হবে অবৈধ।

রায়ের অন্য অংশে বলা হয়েছে, তারা সাউথ আফ্রিকা প্রবেশের পাঁচ দিনের মধ্যে শরণার্থী অভ্যর্থনা অফিসে রিপোর্ট করেছে কিনা এবং যদি না করে থাকে, তাহলে তারা বাধ্যতামূলক কারণ দেখিয়েছে কিনা, যার মধ্যে হাসপাতালে ভর্তি বা প্রাতিষ্ঠানিকীকরণ অন্তর্ভুক্ত থাকতে পারে।

৪৮ পৃষ্ঠার এই রায়ে হাইকোর্ট বলেছে, যে ব্যক্তিরা অবৈধভাবে এখানে প্রবেশ করেছে এই কারণে তাদের আবেদন (এসাইলাম সিকার) গ্রহণ করতে অস্বীকৃতি জানানো অভিবাসন আইনের নীতির পরিপন্থী।

ফলে যে সব অভিবাসী তাদের নিজ দেশে নিপীড়ন বা অপূরণীয় ক্ষতির সম্মুখীন হতে পারে, এমন ব্যক্তিদের নিজ দেশে ফেরত পাঠানো যাবে না।

সাংবিধানিক অবৈধতার ঘোষণাটি এখন অসাংবিধানিকতার সম্ভাব্য নিশ্চিতকরণের জন্য সাংবিধানিক আদালতে পাঠানো হয়েছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

হাইকোর্টের রায়ঃ অনেকটা স্বস্তি দিবে দক্ষিণ আফ্রিকায় এসাইলাম সিকারদের

আপডেট সময় : ০৭:২৫:৩১ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৬ মে ২০২৫

শাপলা টিভি ডেস্ক:
দক্ষিণ আফ্রিকার ওয়েস্টার্ন কেপ হাইকোর্ট রিফুজি আইনের কিছু বিধানকে অসাংবিধানিক এবং অবৈধ ঘোষণা করেছে, যা অনেক আশ্রয়প্রার্থীকে (এসাইলাম সিকারদের) স্বস্তি দিবে।

গত দুই বছর ধরে রিফুজি আইনে এসব ধারাকে চ্যালেঞ্জ করে পরিচালিত মামলায় গতকাল হাইকোর্ট এই রায় দেয়।

২০২৩ সালে স্কালিব্রিনি সেন্টার নামে একটি সংস্থা শরণার্থী (রিফুজি) আইনের অধীনে আশ্রয়ের জন্য অভিবাসীদের পক্ষে মামলাটি পরিচালনা করে।

সংস্থাটি জানায়, বিদেশী নাগরিকদের আশ্রয়ের (এসাইলাম সিকার) আবেদনগুলি যথাযথভাবে বিবেচনা না করেই তাদেরকের দেশে ফেরত পাঠানো অসাংবিধানিক।

ওয়েস্টার্ন কেপ হাইকোর্টের সামনে শরণার্থী আইনের বেশ কয়েকটি ধারা বিতর্কিত ছিল।

রায়ে বলা হয়, হোম এফেয়ার্সের কোন কর্মকর্তা যদি মনে করেন কেউ অবৈধভাবে সাউথ আফ্রিকায় প্রবেশ করেছে তাহলে সে রিফুজি স্ট্যাটাস পাবে না, তাহলে তা হবে অবৈধ।

রায়ের অন্য অংশে বলা হয়েছে, তারা সাউথ আফ্রিকা প্রবেশের পাঁচ দিনের মধ্যে শরণার্থী অভ্যর্থনা অফিসে রিপোর্ট করেছে কিনা এবং যদি না করে থাকে, তাহলে তারা বাধ্যতামূলক কারণ দেখিয়েছে কিনা, যার মধ্যে হাসপাতালে ভর্তি বা প্রাতিষ্ঠানিকীকরণ অন্তর্ভুক্ত থাকতে পারে।

৪৮ পৃষ্ঠার এই রায়ে হাইকোর্ট বলেছে, যে ব্যক্তিরা অবৈধভাবে এখানে প্রবেশ করেছে এই কারণে তাদের আবেদন (এসাইলাম সিকার) গ্রহণ করতে অস্বীকৃতি জানানো অভিবাসন আইনের নীতির পরিপন্থী।

ফলে যে সব অভিবাসী তাদের নিজ দেশে নিপীড়ন বা অপূরণীয় ক্ষতির সম্মুখীন হতে পারে, এমন ব্যক্তিদের নিজ দেশে ফেরত পাঠানো যাবে না।

সাংবিধানিক অবৈধতার ঘোষণাটি এখন অসাংবিধানিকতার সম্ভাব্য নিশ্চিতকরণের জন্য সাংবিধানিক আদালতে পাঠানো হয়েছে।