ঢাকা ০২:৪৪ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ জুলাই ২০২৬, ৩১ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo দুঃসময়ে অভিবাসীদের পাশে দাঁড়িয়ে প্রশংসিত সাউথ আফ্রিকার গিফট অব দ্যা গিভারস Logo বিদেশীদের উপর হামলা করে সাউথ আফ্রিকা বিশ্বাসঘাতকতা করেছে- বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার প্রধান Logo আপিংটনে প্রবাসী বাংলাদেশীর মৃত্যু: সিলেট এসোসিয়েশনের শোক প্রকাশ Logo ফরেইনার বিরোধী আন্দোলন: শীঘ্রই জাতির উদ্দেশ্যে ভাষণ দিবেন প্রেসিডেন্ট রামাপোসা Logo শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের শাহাদাত বার্ষিকী পালন করেছে দক্ষিন আফ্রিকা নর্থ বিএনপি Logo একটি সুষ্ঠু ও নিয়ন্ত্রিত অভিবাসন নীতি সকলের জন্য অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ও সুযোগ সৃষ্টি করতে পারে- রামাপোসা Logo দ্বিতীয় ধাপে সাউথ আফ্রিকা ছাড়তে প্রিটোরিয়াস্থ হাই কমিশনে ভিড় শত শত ঘানাইয়ানদের Logo সাউথ আফ্রিকার সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রীর বাসায় যেভাবে ডাকাতি হলো? আইনশৃঙ্খলা নিয়ে তুমুল সমালোচনা Logo পাঁচ বিদেশী শিশুর ভূয়া পিতৃত্বের দাবির অভিযোগে এক ব্যক্তিকে গ্রেফতার করেছে জোহানেসবার্গ হোম অফিস Logo আওয়ামী লীগ নেতা আবু নাছের শামীম স্মরণে জোহানেসবার্গে শোক সভা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত

সর্বোচ্চ ইমামতি করা তিন জনকে উমরাহ হজ্বে পাঠাচ্ছে সিলেট এসোসিয়েশন অব সাউথ আফ্রিকা

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৮:৩০:৩২ অপরাহ্ন, সোমবার, ৬ অক্টোবর ২০২৫ ২৫৪২ বার পড়া হয়েছে

শাপলা টিভি রিপোর্ট:
সিলেট এসোসিয়েশন অব সাউথ আফ্রিকা একটি ব্যতিক্রমী উদ্যোগ বাস্তবায়ন করতে যাচ্ছে। সংগঠনের পক্ষ থেকে জানানো হয়, সিলেট অঞ্চলের অধিবাসী ব্যক্তি যিনি একাধারে একই মসজিদের সর্বোচ্চ সময় ধরে ইমামতি করে আসছেন এমন তিন জন ইমামকে সম্পুর্ণ খরচে উমরাহ হজ্বে পাঠানো হচ্ছে।

ইতিপূর্বে সিলেটের বিভিন্ন মসজিদ থেকে আবেদন গ্রহণ করা হয় এবং সেগুলো যাচাই বাছাই করে নিম্নোক্ত তিন জনকে চূড়ান্তভাবে উমরাহে প্রেরণের জন্য নির্বাচিত করা হয়।
এদের একজন হলেন- মাওলানা আব্দুল আজিজ, যিনি গোলাপগঞ্জ উপজেলার নিজ ঢাকা দক্ষিণ জামে মসজিদে বিগত ৩৫ বছর যাবত ইমামতি করে আসছেন।

২য় নির্বাচিত ইমাম হলেন- হাফিজ ক্বারী নজিবুর রহমান, যিনি দক্ষিণ সুরমা উপজেলার দৌলত পুর পশ্চিম পাড়া জামে মসজিদে বিগত ৩৫ বছর যাবত ইমাম ও খতীব হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।

৩য় ব্যক্তি হলেন- মাওলানা মকবুল হোসেন, যিনি গোলাপগঞ্জ উপজেলার নিমাদল শাহপাড়া জামে মসজিদে বিগত ২৭ বছর ধরে একটানা ইমামতি করে আসছেন।

তাদের উমরাহে যাবার জন্য পাসপোর্ট তৈরি সহ আনুষাঙ্গিক কার্যক্রম শুরু হয়েছে। এ বিষয়ে সিলেট এসোসিয়েশনের সভাপতি এম এস ইসলাম সেরুল বলেন, মসজিদের ইমাম সাহেবরা আমাদের সমাজে ব্যক্তিগতভাবে খুব বেশি সচ্ছল নয়। তারা প্রতি জুম্মায় আল্লাহর ঘর তাওয়াফের জন্য দোয়া করেন কিন্তু আর্থিক অসচ্ছলতার জন্য যেতে পারেন না। তাদের মধ্য থেকে বাছাই করে আমরা প্রথমে দুইজন পাঠানো জন্য অর্থ উত্তোলন শুরু করি; কিন্তু প্রবাসীদের আগ্রহে অর্থের পরিমাণ বেশি হওয়ায় আমরা তিনজনকে প্রায় ৬ লক্ষ টাকা খরচ করে উমরাহে পাঠানোর প্রক্রিয়া শুরু করেছি।

সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক নোমান মাহমুদ বলেন, এটি একটি ব্যতিক্রমী উদ্যোগ। আমরা চাই বিভিন্ন এলাকার প্রবাসী সংগঠনগুলো আমাদের দেখানো পথে এগিয়ে আসুক; এলাকার মসজিদগুলোর প্রতি যেভাবে প্রবাসী ভুমিকা রাখেন তেমনি ইমামদের প্রতিও প্রবাসীরা ব্যতিক্রমী উদ্যোগ গ্রহণ করবেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

সর্বোচ্চ ইমামতি করা তিন জনকে উমরাহ হজ্বে পাঠাচ্ছে সিলেট এসোসিয়েশন অব সাউথ আফ্রিকা

আপডেট সময় : ০৮:৩০:৩২ অপরাহ্ন, সোমবার, ৬ অক্টোবর ২০২৫

শাপলা টিভি রিপোর্ট:
সিলেট এসোসিয়েশন অব সাউথ আফ্রিকা একটি ব্যতিক্রমী উদ্যোগ বাস্তবায়ন করতে যাচ্ছে। সংগঠনের পক্ষ থেকে জানানো হয়, সিলেট অঞ্চলের অধিবাসী ব্যক্তি যিনি একাধারে একই মসজিদের সর্বোচ্চ সময় ধরে ইমামতি করে আসছেন এমন তিন জন ইমামকে সম্পুর্ণ খরচে উমরাহ হজ্বে পাঠানো হচ্ছে।

ইতিপূর্বে সিলেটের বিভিন্ন মসজিদ থেকে আবেদন গ্রহণ করা হয় এবং সেগুলো যাচাই বাছাই করে নিম্নোক্ত তিন জনকে চূড়ান্তভাবে উমরাহে প্রেরণের জন্য নির্বাচিত করা হয়।
এদের একজন হলেন- মাওলানা আব্দুল আজিজ, যিনি গোলাপগঞ্জ উপজেলার নিজ ঢাকা দক্ষিণ জামে মসজিদে বিগত ৩৫ বছর যাবত ইমামতি করে আসছেন।

২য় নির্বাচিত ইমাম হলেন- হাফিজ ক্বারী নজিবুর রহমান, যিনি দক্ষিণ সুরমা উপজেলার দৌলত পুর পশ্চিম পাড়া জামে মসজিদে বিগত ৩৫ বছর যাবত ইমাম ও খতীব হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।

৩য় ব্যক্তি হলেন- মাওলানা মকবুল হোসেন, যিনি গোলাপগঞ্জ উপজেলার নিমাদল শাহপাড়া জামে মসজিদে বিগত ২৭ বছর ধরে একটানা ইমামতি করে আসছেন।

তাদের উমরাহে যাবার জন্য পাসপোর্ট তৈরি সহ আনুষাঙ্গিক কার্যক্রম শুরু হয়েছে। এ বিষয়ে সিলেট এসোসিয়েশনের সভাপতি এম এস ইসলাম সেরুল বলেন, মসজিদের ইমাম সাহেবরা আমাদের সমাজে ব্যক্তিগতভাবে খুব বেশি সচ্ছল নয়। তারা প্রতি জুম্মায় আল্লাহর ঘর তাওয়াফের জন্য দোয়া করেন কিন্তু আর্থিক অসচ্ছলতার জন্য যেতে পারেন না। তাদের মধ্য থেকে বাছাই করে আমরা প্রথমে দুইজন পাঠানো জন্য অর্থ উত্তোলন শুরু করি; কিন্তু প্রবাসীদের আগ্রহে অর্থের পরিমাণ বেশি হওয়ায় আমরা তিনজনকে প্রায় ৬ লক্ষ টাকা খরচ করে উমরাহে পাঠানোর প্রক্রিয়া শুরু করেছি।

সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক নোমান মাহমুদ বলেন, এটি একটি ব্যতিক্রমী উদ্যোগ। আমরা চাই বিভিন্ন এলাকার প্রবাসী সংগঠনগুলো আমাদের দেখানো পথে এগিয়ে আসুক; এলাকার মসজিদগুলোর প্রতি যেভাবে প্রবাসী ভুমিকা রাখেন তেমনি ইমামদের প্রতিও প্রবাসীরা ব্যতিক্রমী উদ্যোগ গ্রহণ করবেন।