ঢাকা ১১:২৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল ২০২৬, ৩ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo যেমন দেখেছি যেমন চাই ১লা বৈশাখ: অতীত থেকে বর্তমান Logo সাউথ আফ্রিকার ডারবানে মায়ের হাতে দুই শিশু খু-ন Logo প্রথমবারের মতো জাম্বিয়ায় বাংলাদেশ হাই কমিশনের উদ্যোগে মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উদযাপন Logo সময়ের আলোচিত পুলিশ কর্মকর্তাকে আবারো ৫ বছরের জন্য চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ দিলো কেজেডএন প্রভিন্স Logo পোস্টাল ভোট বিডি নিবন্ধন শেষ: ১৫ লাখ প্রবাসীর নিবন্ধন; সাউথ আফ্রিকা থেকে ৫৪৪৫জন Logo রেমিট্যান্স প্রেরণে সাউথ আফ্রিকা ১২তম; তবুও দেশটিতে প্রবাসীরা অবহেলিত-বঞ্চিত Logo দক্ষিণ আফ্রিকার কিম্বার্লিতে খালেদা জিয়ার রোগমুক্তি কামনায় বিএনপির দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত Logo দক্ষিণ আফ্রিকার নর্দার্নকেপে সড়ক দুর্ঘটনায় বাংলাদেশীর মৃ ত্যু: সিলেট এসোসিয়েশনের শোক Logo একা দোকানে মা’রা গেলেন দক্ষিণ আফ্রিকা প্রবাসী; ২ দিন পর মরদেহ উদ্ধার Logo বিজয় দিবস উপলক্ষ্যে দক্ষিণ আফ্রিকাস্থ বাংলাদেশ হাইকমিশনে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত

সর্বোচ্চ ইমামতি করা তিন জনকে উমরাহ হজ্বে পাঠাচ্ছে সিলেট এসোসিয়েশন অব সাউথ আফ্রিকা

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৮:৩০:৩২ অপরাহ্ন, সোমবার, ৬ অক্টোবর ২০২৫ ২২৯৫ বার পড়া হয়েছে

শাপলা টিভি রিপোর্ট:
সিলেট এসোসিয়েশন অব সাউথ আফ্রিকা একটি ব্যতিক্রমী উদ্যোগ বাস্তবায়ন করতে যাচ্ছে। সংগঠনের পক্ষ থেকে জানানো হয়, সিলেট অঞ্চলের অধিবাসী ব্যক্তি যিনি একাধারে একই মসজিদের সর্বোচ্চ সময় ধরে ইমামতি করে আসছেন এমন তিন জন ইমামকে সম্পুর্ণ খরচে উমরাহ হজ্বে পাঠানো হচ্ছে।

ইতিপূর্বে সিলেটের বিভিন্ন মসজিদ থেকে আবেদন গ্রহণ করা হয় এবং সেগুলো যাচাই বাছাই করে নিম্নোক্ত তিন জনকে চূড়ান্তভাবে উমরাহে প্রেরণের জন্য নির্বাচিত করা হয়।
এদের একজন হলেন- মাওলানা আব্দুল আজিজ, যিনি গোলাপগঞ্জ উপজেলার নিজ ঢাকা দক্ষিণ জামে মসজিদে বিগত ৩৫ বছর যাবত ইমামতি করে আসছেন।

২য় নির্বাচিত ইমাম হলেন- হাফিজ ক্বারী নজিবুর রহমান, যিনি দক্ষিণ সুরমা উপজেলার দৌলত পুর পশ্চিম পাড়া জামে মসজিদে বিগত ৩৫ বছর যাবত ইমাম ও খতীব হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।

৩য় ব্যক্তি হলেন- মাওলানা মকবুল হোসেন, যিনি গোলাপগঞ্জ উপজেলার নিমাদল শাহপাড়া জামে মসজিদে বিগত ২৭ বছর ধরে একটানা ইমামতি করে আসছেন।

তাদের উমরাহে যাবার জন্য পাসপোর্ট তৈরি সহ আনুষাঙ্গিক কার্যক্রম শুরু হয়েছে। এ বিষয়ে সিলেট এসোসিয়েশনের সভাপতি এম এস ইসলাম সেরুল বলেন, মসজিদের ইমাম সাহেবরা আমাদের সমাজে ব্যক্তিগতভাবে খুব বেশি সচ্ছল নয়। তারা প্রতি জুম্মায় আল্লাহর ঘর তাওয়াফের জন্য দোয়া করেন কিন্তু আর্থিক অসচ্ছলতার জন্য যেতে পারেন না। তাদের মধ্য থেকে বাছাই করে আমরা প্রথমে দুইজন পাঠানো জন্য অর্থ উত্তোলন শুরু করি; কিন্তু প্রবাসীদের আগ্রহে অর্থের পরিমাণ বেশি হওয়ায় আমরা তিনজনকে প্রায় ৬ লক্ষ টাকা খরচ করে উমরাহে পাঠানোর প্রক্রিয়া শুরু করেছি।

সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক নোমান মাহমুদ বলেন, এটি একটি ব্যতিক্রমী উদ্যোগ। আমরা চাই বিভিন্ন এলাকার প্রবাসী সংগঠনগুলো আমাদের দেখানো পথে এগিয়ে আসুক; এলাকার মসজিদগুলোর প্রতি যেভাবে প্রবাসী ভুমিকা রাখেন তেমনি ইমামদের প্রতিও প্রবাসীরা ব্যতিক্রমী উদ্যোগ গ্রহণ করবেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

সর্বোচ্চ ইমামতি করা তিন জনকে উমরাহ হজ্বে পাঠাচ্ছে সিলেট এসোসিয়েশন অব সাউথ আফ্রিকা

আপডেট সময় : ০৮:৩০:৩২ অপরাহ্ন, সোমবার, ৬ অক্টোবর ২০২৫

শাপলা টিভি রিপোর্ট:
সিলেট এসোসিয়েশন অব সাউথ আফ্রিকা একটি ব্যতিক্রমী উদ্যোগ বাস্তবায়ন করতে যাচ্ছে। সংগঠনের পক্ষ থেকে জানানো হয়, সিলেট অঞ্চলের অধিবাসী ব্যক্তি যিনি একাধারে একই মসজিদের সর্বোচ্চ সময় ধরে ইমামতি করে আসছেন এমন তিন জন ইমামকে সম্পুর্ণ খরচে উমরাহ হজ্বে পাঠানো হচ্ছে।

ইতিপূর্বে সিলেটের বিভিন্ন মসজিদ থেকে আবেদন গ্রহণ করা হয় এবং সেগুলো যাচাই বাছাই করে নিম্নোক্ত তিন জনকে চূড়ান্তভাবে উমরাহে প্রেরণের জন্য নির্বাচিত করা হয়।
এদের একজন হলেন- মাওলানা আব্দুল আজিজ, যিনি গোলাপগঞ্জ উপজেলার নিজ ঢাকা দক্ষিণ জামে মসজিদে বিগত ৩৫ বছর যাবত ইমামতি করে আসছেন।

২য় নির্বাচিত ইমাম হলেন- হাফিজ ক্বারী নজিবুর রহমান, যিনি দক্ষিণ সুরমা উপজেলার দৌলত পুর পশ্চিম পাড়া জামে মসজিদে বিগত ৩৫ বছর যাবত ইমাম ও খতীব হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।

৩য় ব্যক্তি হলেন- মাওলানা মকবুল হোসেন, যিনি গোলাপগঞ্জ উপজেলার নিমাদল শাহপাড়া জামে মসজিদে বিগত ২৭ বছর ধরে একটানা ইমামতি করে আসছেন।

তাদের উমরাহে যাবার জন্য পাসপোর্ট তৈরি সহ আনুষাঙ্গিক কার্যক্রম শুরু হয়েছে। এ বিষয়ে সিলেট এসোসিয়েশনের সভাপতি এম এস ইসলাম সেরুল বলেন, মসজিদের ইমাম সাহেবরা আমাদের সমাজে ব্যক্তিগতভাবে খুব বেশি সচ্ছল নয়। তারা প্রতি জুম্মায় আল্লাহর ঘর তাওয়াফের জন্য দোয়া করেন কিন্তু আর্থিক অসচ্ছলতার জন্য যেতে পারেন না। তাদের মধ্য থেকে বাছাই করে আমরা প্রথমে দুইজন পাঠানো জন্য অর্থ উত্তোলন শুরু করি; কিন্তু প্রবাসীদের আগ্রহে অর্থের পরিমাণ বেশি হওয়ায় আমরা তিনজনকে প্রায় ৬ লক্ষ টাকা খরচ করে উমরাহে পাঠানোর প্রক্রিয়া শুরু করেছি।

সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক নোমান মাহমুদ বলেন, এটি একটি ব্যতিক্রমী উদ্যোগ। আমরা চাই বিভিন্ন এলাকার প্রবাসী সংগঠনগুলো আমাদের দেখানো পথে এগিয়ে আসুক; এলাকার মসজিদগুলোর প্রতি যেভাবে প্রবাসী ভুমিকা রাখেন তেমনি ইমামদের প্রতিও প্রবাসীরা ব্যতিক্রমী উদ্যোগ গ্রহণ করবেন।